স্বাগতম

সবার জন্য উন্মুক্ত পেইজ ভিজিট করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। *** শিক্ষার কোন বয়স নাই, জানার কোন শেষ নাই। *** বিঃদ্র ( যে সকল ব্লগ বা ওয়েবসাইট এর লেখা কোন অনুমতি ছাড়া কপি করে এখানে পোষ্ট করেছি, যদি কারো কোনো অভিযোগ থাকে দয়া করে জানাবেন। E-mail: nchafa10@gmail.com, ভালো লাগলে আবার আসবেন।***ধন্যবাদ***
জীবনের পাতা থেকে নেওয়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জীবনের পাতা থেকে নেওয়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রোমাঞ্চকর রোম্যান্টিক আড্ডা থেকে বাড়ি

Image result for আড্ডা
রোমাঞ্চকর রোম্যান্টিক আড্ডা থেকে বাড়ি, শিরোনাম দেখে হইত ভাবতেছেন- এইটা আবার কি? আড্ডা থেকে বাড়ি, জীবনের পাতা থেকে ইতি হয়ে যাওয়া একটি স্মরণীয় দিন থেকে নেওয়া হয়েছে। এই স্মরণীয় দিনটাকে মনে রাখার জন্য অনলাইনে বল্গ সাইটে লিপিবদ্ধ করলাম মাত্র। প্রতিটি স্মরণীয় দিনের একটি মজার ঘটনা ঘটে থাকে। তাই ইতি হয়ে যাওয়া ঐ দিনটাকে জীবনের গুরুত্ব পুণ্য দিন হিসাবে সবাই নিজের মত করে লিপিবদ্ধ করে রাখে। ঠিক তেমন করে আমিও লিপিবদ্ধ করলাম। 


আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব আমার জীবনের একটি রোমাঞ্চকর রোম্যান্টিক ঘটনা। এমন ঘটনা বারবার ঘটে না তাই মনের আনন্দের রোমাঞ্চকর রোম্যান্টিক আড্ডা থেকে বাড়ি, গল্প কাহিনীটা শুরু করলাম। গল্প কাহিনীটা শুরু করার আগে বলেই রাখলাম এইখানে বন্ধুদের ছন্দ নাম ব্যাবহার করে গল্প লেখব। সকল বন্ধুদের প্রথম নামের অক্ষর দিয়ে ছন্দ নাম ব্যাবহার করে রোমাঞ্চকর রোম্যান্টিক আড্ডা থেকে বাড়ি গল্প লেখা শুরু করলাম।

অসমাপ্ত- আমি তোমাকে ভালোবাসি।


তোমাকে নিয়ে ভাবতে আমার ভালো লাগে,
তাই তোমাকে নিয়ে আমি ভাবী।
এখন,
তোমাকে আমার খুব ভালো লাগে,
তাই মনের গহীনে নীরবে ভালোবাসি।
Image result for আমি তোমাকে ভালোবাসি ছবি
তোমাকে ভালোবাসতে ভালো লাগে,
কিন্তু বলতে চাইনা না হারানোর ভয়ে।
কেন যে,
তোমাকে বলতে আমার ভয় লাগে,
তাই বলতেও সাহস পাইনা।

ডিজিটাল কবিতা

আমরা এমন ডিজিটাল হয়ে গেলাম
যে ,
মরণকে পর্যন্ত ভুলে গেলাম!
অবাক হওয়ার কিচু নাই-
এইটাই বাস্তব দুনিয়ার খেলা।
তা না হলে দেখ,
ইমাম সাহেব মসজিদ আযান দিল।
আমরা শুনেও শুনিনাই!!
কি মুসলমান হলাম?
যে,
মুসলমানদের আসল ঘর মসজিদে
ইমাম সাহেব, খতিব ছাড়া নামজ পড়ার মুসলি নাই!!
মুসলি শূন্য মসজিদ।
এইটাই বাস্তব (বর্তমান ডিজিটাল যুগ)
এইটা পড়ে কি বুঝতে পারলে?
এইটাই সত্য, এইটাই বাস্তব।

ছন্দ কবিতা ( তুমিও মানুষ- আমিও মানুষ)

তুমিও মানুষ
আমিও মানুষ 
স্বভাব কিন্তু অমানুষের।। 
কারণ যদি জানতে চাও  
পিছনে ফিরে তাকাও ।  
অবাক তুমি হয়ে গেছ 
মুখে হাত দিয়ে বসে আছ।।
চিন্তার কোন কারণ নাই
মানুষের মত মানুষ হতে চাই ।

পড়ে নিলাম ছন্দ কথা
বর্তমানের বাস্তব কথা।। 
কথা যদি মনে ধরে 
বিশ্বাস রাখো আল্লাহর উপরে। 
ঈমান আমল ঠিক রাখি 
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি।। 

রাগ- ছন্দ

Image result for রাগ
কি হইছে সোনাই তোমার, বিষন্ন মন আনচান 
চোখে মুখে রাগ আর বিরহে মুখভার! 
এইভাবে কি আর করিবে দিন পার-     
কি কারণে করেছ রাগ, বলনা আমায় আজ
মিচে কষ্টে জ্বলিতেছ কেন আমায় বলনা ! 
তাহলে ভুল আর হবেনা।  

না বললে বুঝব কেমনে, হায় হতাশে দিন কাটালে। 
কি কারণে রাগ করেছ, মিচে কষ্টে জ্বলিতেছ  

রাগ করা ভালো না, ও আমার জান-
তবু কেন রাগ কর জানি না। 

কি কারণে করেছ রাগ, বলনা আমার আজ
মিচে কষ্টে জ্বলিতেছ কেন আমায় বলনা ! 
তাহলে ভুল আর হবেনা।  

এন, সি
(০৭.০২.২০১৬)  
রাগ নিয়ে ছন্দ লেখলাম। 
 
নেট থেকে সংগৃহীত- প্রিয়জন যখন বেশি রাগান্বিত থাকবে তখন রাগ ভাঙ্গানোর sms দিয়ে তার রাগকে কন্ট্রোল করে নিতে পারেন।  

মাইর কারে কইয় ( ছোট বেলার কাহিনী )

Image result for মাইর কারে কয়
আজ সকালে পাশের বাসার খালা তাহার ছোট ছেলেকে যেই মাইর(পিটা) দিল তাহা দেখে ছোট বেলার কথা মনে পরে গেলো। এমন একটি ঘটনার কথা মনে পরে গেলো মাইর কারে কয় । আগে একটু হেঁসে নিলাম- হাহাহা। মাইর কারে কয় এইটা আমার দেওয়া নাম। ছোট বেলা মাইর খায়নি এমন কথা মনে হয় কেউ বলতে পারবেনা। ছোট বেলায় সবাই শয়তানের খালাতো ভাই থাকে এইটা মানতে হবে। যেখানে চুইস চলেনা সেখানে কুড়াইল চালাই দিতাম বলে শয়তানের খালাতো ভাই বলত। আবার কেউ শয়তান বললে তাকে শয়তান কি বুঝিয়ে দিতাম। হাহাহা আজ ছোট বেলার কথা মনে করে হাস্তেছি কিন্তু যে গল্পটা বলব তাহা কিন্তু হাসির না। ''মাইর কারে কয়'' নাম দেখে হইত বুঝতে পারছেন। তারপরেও হাঁসি আসতেছে এখন, কেন বুঝতেছিনা। হাহাহা।


মাইর কারে কয় এই কাহিনী যখন ঘটে তখন বয়স ৭ কি ৮ বছর হবে। পুরাপুরি বয়সটা মনে নেই কিন্তু কাহিনী মনে আছে। কাহিনী মনে থাকবে না কেন, শয়তানের চলে পরে, যেই মোহা কাণ্ড ঘটনা ঘটাইছি তাহার খেশারত যে পিটের উপর দিয়ে গেছে। তাই হইত এখন মনে আছে এবং থাকবে এইটা ছিল আমার জিবিনে কঠিন থেকে কঠিন মাইর খাওয়া কাহিনী মাইর কারে কয়।


কেন এমন করলে?

Image result for দুখ

তুমি কত সহজে, আমাকে ছেড়ে......। 

সুখের নেশাই, চলে গেছ অনন্যার ঘরে !! 

পারবে কী, ততই সহজে ভুলে যেতে??

পুরাতন ডাইরির পাতা ( বন্ধুর ভাললাগা মেয়েটি) ২

 
আল্লাহ তাহলা মানব জাতিকে কে পৃথিবীতে সর্বশ্রেষ্ট করে প্রেরণ করেছেন। এই জন্য আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুক্রিয়া। আর কথা না বাড়িয়ের গল্প পড়ি। 

পুরাতন ডাইরির পাতা ( বন্ধুর ভাললাগা মেয়েটি) ২
 
বন্ধুর  সুন্দরি রূপসী, স্বপ্নের রাজ কুমারির দুপরের খাবার খেয়ে স্কুলে ফিরে আসল। এখনও টিপন এর সম্য শেষ হয় নি। ঐ দিকে স্কুল বারান্দায় বন্দধুর চিঠিখানা ৩ বান্ধবিকে সাথে নিয়ে পড়তেছে। এই দেখে আমার মনে ভয় লাগতেছে কি যেন হয়। আবার শরির কাপ্তেছে, ওরা চিঠি পড়তেছে আর আমার দিকে বার বার পিরে তাকাচ্ছে। কি করি আজ ভেবে না পাই পথ হারিয়ে কোন বনে যাই। টিপন এর সম্য শেষ দপ্তরী কাম ডং ডং করে ব্যাল বাজাল। কেলাসে চলে গেলাম।

মাস্টার আসলো। পড়া লেখা শুরু  হল। কিন্তু লজ্জা আমারে ঘিরে রেখেছে। বন্ধুর জন্য যে কাম করলাম। কত বড় সাহজ, প্রেমপত্র পোঁছে দিলাম। কি লিজ্জা, কেলাসে লজ্জা্য হাতে বই নিয়ে মাথা নিছু করে পড়া শুরু করে দিলাম । ১ ঘণ্টা শেষ হল স্কুলের ঘন্টা বেজে গেল। পরের মাস্টার এল। পড়া শুরু হল। 

আগের মত সময় আর যাইনা। টেনশন কাজ করতেছে, মনের অস্তিরতায় আর ভালো লাগের না। যানি না মেয়েটা চিঠিখানা পড়ে উত্তরে কি বলে। আল্লাহ, আল্লাহ জিকির করে কেলাসের সময় পার করি। এইদিকে ঐদিকে তাকাই, নিরব নির্তেজ জং ধরা অচল পয়সা। কি যে করি, জানালার দিকে দারোয়ান কে দেখতে পেলাম মনে হয় ছুটির ঘণ্টা দেবে। না এইটা আমার মনের ধারনা, ঘণ্টা আর বাজে না। সময়ও শেষ হয় না। কি সর্বনাশ, ওরা তিন বান্ধবি আমার দিকে বার বার ফিরে চায়। এই দেখে আমার মনে ভিতর মুচড় মারতেছে, কি যে বলে ছুটি হলে। মনে সাহস বাড়ার জন্য বুকের মাঝে শুধু থুথু দিয়ে যাচ্ছি কিন্তু সাহস আর বাড়ে না। যানিনা কোন মোহা সাহসি থুথু দেওয়ার মন্ত্র আবিস্কার করছে। তাকে কাছে পেলে বলতাম এই মন্ত্র দিয়ে সাহস হচ্ছে না অন্য মন্ত্র দেন। কি আর করা ঐ থুথু আবিষ্কার সাহসি বেক্তিকে খুজে পাবনা। যা করার নিজেকে করতে হবে।
 
ভাবনা চিন্তা করতে করতে ঘণ্টার আওয়াজ শুনা যাচ্ছে। ওয়াও, কি শান্তি। শান্তির কোপালে দুর্গতি। বই হাতে নিয়ে আগে যাবো তাহার কন্ন বেবস্তা নাই। এখানেও দুর্নীতি। আসলে তা না, কারন মেয়েদের বসার স্থান দরজার সাথে। যাকে বলে, লেডিস ফাস্ট। মেয়েরা আগে ছেলেরা পরে। কি আর করা, মেয়েরা আস্তে আস্তে বাহির হচ্ছে। কচ্ছপ গতিতে, ঐ দিকে নজরের বন্ধুক তাক করে তিন বান্ধবি বসে আছে। এই দিকে আমার মনে কালবৈশাখীর বজ্রপাত সৃষ্টি হচ্ছে। কি হতে যাচ্ছে আল্লাহ্‌ ভালো জানে, শরীরে ভিতর কে যেন আগুন জ্বালাই দিল ঘাম বাহির হইতেছে। এইদিকে সব মেয়েরা বাহির হয়ে গেল ওরা দিন বান্ধি এখনো বসে আছে। বুঝতে কষ্ট হচ্ছে না, কিছু বলবে হইত তাই বসে আছে। মেয়েরা সব চলে গেল, বাকী ওরা তিনবান্ধবী। এখন ছেলেরা বাহির হচ্ছে, আমিও চুরের মত মাথা নিছু করে বাহীর হয়ে যাচ্ছি। হাত পা কাপ্তেছে, জস হাজির। দরজার সামনে আস্তে না আস্তে আমাকে ডাক দিল ঐ বেয়াই একটু দাড়াও। 

প্রেমের খাদিরে নতুন নামের উপাদি (বেয়াই)। আমি অবাক হয়ে গেলাম এটা আবার কেমন ডাক। চুরির আসামি, বেকসুর খালাস। মনে মনে ভাবতেছি, চিঠি আদান প্রদান করলে তাকে বেয়াই ডাকে। চিন্তার রেখা সরে গেছে, মনে বন্ধুর প্রেমের নতুন আশা জাগ্রত হল। আগে জানতাম, চিঠি আদান প্রদানকারিকে পিয়ন বলে। আ-হ, যাহোক কি মজা। মনের ভীতর নতুন এক সুর বাজে, আকাশে বাতাশে। এই দিকে আমি ওদের ডাক শুনেও না শুনার ভান করে লজ্জাবতী পাতার মত চিবিয়ে ক্লাস থেকে বাহীর হয়ে গেলাম। মিটিমিটি হেসে এক পা, দুপা করে স্কুলের শেষ প্রান্তে বারান্দাই গিয়ে দাঁড়ালাম ৩ বিয়াইনের জন্য। ওরা আসতেছে...। নতুন আশা জেগেছে মনে, 

এখনো স্কুলের সব ক্যালাশের ছুটি হয়নি। ওরা আসলো, বন্ধুর পছন্দের মেয়েটি আমার সামনে এসে বলল বেয়াই এইটা কি দিলে আমায়। মৃত হাসি দিয়ে বললাম কেন!!! চিঠি। চুপ হয়ে দাড়িয়ে আছি, ও আমাকে বলে চিঠি কি ৪ পাতা হয়। অ-আল্লাহ্‌। আমার মনের কথা, জীবনে কাউকে কোন প্রেম পত্র লেখে প্রেম প্রপোজ করি নাই। আমি কি জানি, অভিজ্ঞতা নাই। হইত বন্ধুর মনে অনেক কথা জমা ছিল তাই বেশি প্রকাশ করেছে। ঠিক আছে, কথা বাড়িয়ে লাভ নাই। তোমার বন্ধুকে দিয়ে দেবে আমার লাগবে না।!!! কি শুনলাম। মনে হয়  প্রেমের বাগানে ভালোবাসার ঠাডা পরেছে। 
 
আমিও ত্যাড়া ভাষায় বললাম- চিঠি না লাগ্লে নিলে কেন? এখন আবার চিঠি ফেরত দিবে কেন? আমি নিতে পারবনা! যার চিঠি তাকে দিলে খুশি হব। কে শুনে কার কথা, হাত বাড়িয়ে আমার বুক পকেটে দিতে গেল। এমন সময় আমি পিছে শরে গেলাম। চিঠি খানা মাটিতে পরে গেল। ঠিক ঐ 
সময় অন্য ক্যালাশের ছুটি হল। ছাত্রছাত্রীরা হৈ উল্লাহ্‌ করে বাহির হতে লাগল। সর্বনাশ হয়েছে। এই প্রেম পত্রের কি পরিণাম হবে জানি না। বেহায়া, লজ্জাহীন ভাবে বারাণ্ডায় স্থির দাড়িয়ে আছি চিঠিখানা কুড়িয়ে নেওয়ার জন্য। ওরা বকার পাল। 

চিঠি মাটিতে পড়ে আছে। সব ছেলেমেয়েদের পায়ের নিছে ঘড়া ঘড়ী খাচ্ছে। তখন আমার মনে খুব যন্ত্রনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। প্রেম করি নাই, মাগার। প্রেমের যন্ত্রয়া কাকে বলে কিছুটা অনুমান করতে পারতেছি। কি কষ্ট করুণ নীরব যন্ত্রণা।  জানি না, বন্ধুকে কি বলে শান্তনা দেবো। বন্ধুর পছন্দের মেয়ে, স্বপ্নের নায়িকা। কল্পনার রাজ কুমারি চিঠি ফেরত দিয়ে দিল।

পুরাতন ডাইরির পাতা ( বন্ধুর ভাললাগা মেয়েটি) ১

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহু (আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক)। এখানে আসার জন্য শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।  বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম (পরম করুণাময়, অসীম দয়াবান আল্লাহর নামে) শুরু। সুখ দুঃখ, হাসি কান্না, প্রেম বিরহ, রং তামশা, ভালো খারাপ, ভালোবাসা নিয়ে আমাদের জীবন।প্রত্যেক মানুষের জীবনে সৃতি, গল্প কাহিনী ও ঘটনা থাকে কিন্তু সব মনে থাকে না। আবার কিছু জীবনের সৃতি, অতীতের কিছু কাহিনী থাকে যাহা ভুলতে ছাইলেও ভুলা যায়না। মনের আয়নাতে বেসে ওঠে সৃতি, আনন্দের হলে মিটিমিটি হাঁসি আর দুঃখের হলে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ত্যাগ করি। এ জীবন ক্ষণস্থায়ী কত রঙ্গের মেলা। সুখ, দুঃখ, হাসি, কান্না, প্রেম, বিরহ আরও কত কিছু জীবনের সৃতি হয়ে থাকে। জিবিনের পাতা থেকে নেওয়া যাকে পুরাতন ডাইরির পাতা বলা যায়। ঠিক, তেমনি জীবনের পাতা থেকে নেওয়া একটি সৃতিগল্প। এই গল্প স্কুল জীবনের। স্কুন জীবন মধুর জীবন, বুঝতেছি কাজে ও কর্মে। শিক্ষার চেয়ে মূল্যবান আর কিছু নেই। যাহোক এই কথা বলে কষ্টের সীমা বাড়াতে চাই না। কারন কপাল লেখা ছিল না। ভালো ভাবে লেখা পড়া করতে পারলাম না। আল্লাহ্‌ যা করে ভালোর জন্য করে। আমি যা হারিয়েছি, যা পেয়েছি, যা আছে, যা পাবো, যা হারাবো সবকিছুর জন্যে 'আলহামদুলিল্লাহ' নিশ্চয়ই 'আল্লাহ' সর্বোত্তম 'পরিকল্পনাকারী। 

আল্লাহ বলেন, مَاۤ اَصَابَکَ مِنۡ حَسَنَۃٍ فَمِنَ اللّٰہِ ۫ وَ مَاۤ اَصَابَکَ مِنۡ سَیِّئَۃٍ فَمِنۡ نَّفۡسِکَ ‘তোমার যে কল্যাণ হয়, তা আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়। আর যে অকল্যাণ হয়, তা তোমার নিজের আমলের কারণে হয়’ (সূরা আন-নিসা : ৭৯)। অর্থাৎ আল্লাহ সব সময় বান্দার মঙ্গল করেন। কিন্তু বান্দা ভুলক্রমে বা ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেই নিজের ক্ষতি করে থাকে। আল্লাহ তাতে বাধা দেন না বান্দার স্বাধীন ইচ্ছা শক্তিকে অব্যাহত রাখার জন্য। 

যাহোক, ঐ দিকে আর যাবো না। মূল বিষয়ে ফিরে যাচ্ছি, লেখার শুরুতে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করি, আলহামদুলিল্লাহ্‌। পাঠক হিসাবে আপনিও আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করুন। বলেন আলহামদুলিল্লাহ্‌।
  
জীবনের পাতা থেকে নেওয়া
পুরাতন ডাইরির পাতা ( বন্ধুর ভাললাগা মেয়েটি) 

ভালো আর খারাপ বিচার করবে পাঠক। পাঠক, আপনি বিচারক। আমি কোন কবি বা লেখক নয়।আঞ্চলিক ভাষা জনিত কারনে বানানের ভুল-ভ্রান্তি বেশী হতে পারে  তাই লেখার  ভুল-ভ্রান্তি সন্দর ও ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন। স্কুল জীবনের একটি রোমাঞ্চকর কাহিনী শেয়ার করলাম মাত্র। স্কুল জীবন, মধুর জীবন। আপনারা বুঝবেন একদিন। চলুন এবার জীবনের পাতা থেকে নেওয়া গল্প পড়ি। 

বাল্যকাল মানে ছোট বেলার বন্ধু কুদ্দুস। তার কথা আজ খুব মনে পড়তেছে। কাছে নেই আজ সে দূর প্রবাসে। বন্ধু তুমি যেখানে থাক সুখে থাক এই কামনা আল্লাহর দরবারে। অ আ ক খ থেকে কুদ্দুস আমার বন্ধু। আড্ডা খেলাধুলা এবং এক সাথে পড়ালেখা ১, ২,৩ করে এই ভাবে ৯ম শ্রেণীতে ওঠলাম। কথায় আছে, কেলাস নাইন এ ওঠলে নাকি, ছাত্রছাত্রী লাইন মারে। সবার জন্য প্রযোজ্য (আমার) নয়। যেমন আমি কলেজ জিবিনেও লাইন মারতে পারি নাই। কেউ আমার সাথে লাইন মারে নাই। হইত লাইন মারার যোগ্যতা ছিলনা- হাহাহা। নির্বোধ, হাবলা, বোকা, আদুভাই ছিলাম। কাট কাট, বাতিল। এখানে লাইন মারা বলতে প্রেম ভালোবাসা কে বুঝানো হয়েছে। LOVE

বাংলা সিনেমার মত, নতুন এক অধ্যাই শুর হল। বন্ধুর মনে বসন্তের আগমন। ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক আজ বসন্ত। ঋতুরাজ নয় এটা, প্রেমরাজ। বন্ধুর মনের কুকিলের সুর। দেখবেন আপনিও এই সুরের কুকিল হবেন একদিন, গানে গানে বলবেন সবার জীবনে প্রেম আসে তাইতো সবাই ভালবাসে। আ-হা  স্কুল জীবনে প্রেম,  শ্রেণী কক্ষে ভালবাসার বসন্ত। একই ক্যালাশের ক্লাসমেট এক সুন্দরি রূপসী, স্বপ্নের রাজ কুমারির অজান্তে, তার রুপের ঝলকের ভালোবাসার হাবুডুব খাচ্ছে। বন্ধুর মনের বাগানে প্রেমের ফুল ফুটেছে। প্রেমমালি খুজে উদাসী মন, হাওয়ায় দুলছে।  কিন্তু মেয়েকে মুখ খুলে ভালবাসার  কথা বলার সাহস পায় না। কি করে বলবে, এই প্রথম প্রেম ভালবাসা ও ভাললাগা অনুভব হছে। ""সখী'' ভালবাসা কারে কই।  

আহারে কদ্দুস, প্রেম জেগেছে মনে কিন্তু সুন্দরি রূপসী, স্বপ্নের রাজ কুমারি কে বলতে পারতেছে না। এই কষ্ট, যন্ত্রণা, বিরহে মন মরা হয়ে বসে থাকে সারাক্ষণ। সুন্দরি রূপসী, স্বপ্নের রাজ কুমারির কথা  ভাবতে ভাবতে ভবঘুরে সন্ন্যাসী হয়ে যাচ্ছে। দিন যায় রাত হয় সারাক্ষন ঐ মেয়ের কথা ভাবে। ভাবতে ভাবতে কেমন যেন হয়ে গেছে। পড়ালেখা ও কাজে কর্মে মন নাই, জ্ঞানহীন মানুষের মত আচরন। খাওয়াই রুচি নেই, চেহারাটা আজ রুগা রুগা ভাব আর কত কি। এক কথায় প্রেম পাগলা মানুষিক রুগী। বলতে না পারা প্রেমের রুগী আজ স্কুলের মাসিক পরীক্ষা খারপ করল। উক্তিঃ একতরফা প্রেমের যন্ত্রনা, প্রকাশ করা লাগে না। নিরবে নিভৃতে জিকিমিকি করে জ্বলা , প্রেমিকের মুখে ফুটে ওঠে ।  সাবধানঃ  প্রেমের জন্য এনম কিছু করোনা। যা সমাজ ও পড়িবারের দুঃখ বয়ে আনে। 

একতরফা প্রেম, ঠিক নয়। মনের ভাব সঠিক ভাবে প্রকাশ করার জন্য ৫২ এর ভাষা আন্দোলন হয়েছে। শহীদের রক্ত বৃথা দিতে দেবনা। বন্ধু কুদ্দুস কে বললাম, পছন্দের মেয়েকে মনের কথা একটা চিঠি লেখে জানা। প্রেম হোক বা  নাহোক। এটা বন্ধুর প্রতি শান্তনার বানী, নিরবে নিভৃতে একা একা জ্বলার চেয়ে মনের ভাব প্রকাশ করা অনেক ভালো। যেমন কথা তেমন কাজ, পরের দিন ৪ পাতার একটি পাণ্ডু লিপি নিয়ে এল আমার কাছে। আমিত অভাক,  এত পাতা কেন? প্রেম পত্র এতো বড় হয় না কি? গাল ভরা হাসি মুখে বন্ধু বলে তুর এত কিছু জানার প্রয়োজন নাই, একতরফা প্রেমের কিচ্ছা কাহিনী খতম করে দে। যেভাবে হোক তার হাতে চিঠি খানা পুঁছাইয়া  দিবি। ওহুরে, দোস্ত। দিলিত মনে ভয় ধরাই। শান্তনার বানীতে আজ মাথায় বুজা।    

আমি মেয়েদের দেখলে ভয় পাই। আহারে, কেমন জানি লাগে। সামনে যেতে সাহজ পাইনা। বাঘ না বাঘিনী লজ্জায় চোখে চোখ রাখতে পারিনা। কি লজ্জা। মাথা হেড হয়ে যায়, মেয়েদের দেখলে গা ঠাণ্ডা হয়ে যায়। পরিবেশ আর অনুকুলে থাকে না। মনে হয় বরফের পানি দিয়ে গোসল করেছি। ডানে আর বামে কিছু দেখিনা। মাথা ভার হয়ে যায়। আদু ভাই, এই কাজ আমারে দিয়ে হবে না। বন্ধু আমার নাছোড় বান্দা, আমাকে ছাড়ল না। যেমন করে হোক দিতে হবে। কি আর করা, লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে হলেও চিঠি পোঁছাতে হবে। মনে সাহস করলাম এই প্রথম চিঠি কাউকে  দেব তাও আবার বন্দুর জন্য প্রেমের সহয়তা। ছাত্র জীবনে নতুন এক অধ্যায় পিয়ন। প্রমোশন হল পিয়নের, প্রেমের গুরু দায়িত্ব।  অন্য জনের প্রেমের বুঝা, চিঠি ও খবর আদান প্রদানের পিয়ন। সাবধানঃ প্রেমের নামে অশ্লীল কাজের সহায়তা কেউ করনা। প্রেম ভালোবাসা পবিত্র।  রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘পবিত্রতা ইমানের অঙ্গ।’ অন্য বর্ণনায় রয়েছে, ‘পবিত্রতা ইমানের অর্ধেক।’ (মুসলিম, মিশকাত, পৃষ্ঠা: ৩৮)। 

প্রেমের গুরু দায়িত্ব কাঁদে নিলাম। বন্ধু হল সুখ- দুঃখের সাথী, বন্ধুর জন্য ভালোবাসা ছিনিয়ে নিয়ে আসবো। কিন্তু কিভাবে? অপদার্থ, হাঁদারাম, গাদা, গবেট, বোকা  প্রেম ভালবাসা কি আমি যানি না। তারপরেও প্রেমের ভুত কাঁদে নিলাম।  আল্লাহ্‌ ভরসা, আল্লাহ যাহা করে করুক। বুকে থুথু দিয়ে নিলাম বেশি করে। 
উপদেশ
পরের দিন সকালে একলা স্কুলে চলে গেলাম। বন্ধু রাত জেগে চিঠি লেখেছে, তাই লজ্জার কারনে আজ স্কুলে আসেনি। একলা আমি যেভাবে হোক গুরু দায়িত্ব পালন করতে হবে। সুন্দরি রূপসী, স্বপ্নের রাজ কুমারির জন্য বন্ধুর দেওয়া প্রেম পত্র নিয়ে দাড়িয়ে আছি স্কুলের গেইটের সামনে। মনে বড় ভয়, যানিনা কি যে হয়। তারপরেও অপ্রক্ষায় আছি। মনে মনে বন্ধুকে বকা দিয়ে যাছি। কি ঝামেলায় পেলে দিল। শালা, শুয়ার, বান্দর।   

অপেক্ষার সময় শেষ। ঐ দেখা যায় মেয়েটা স্কুলের দিকে  আসতেছে। নতুন এক সন্ধির আশায় মনে সাহস নিয়ে দাড়িয়ে আছি। আস্তে আস্তে মেয়েটি সামনে দিয়ে স্কুলের দিকে হেঁটে যাচ্ছে কিছু বলতে ছাইলাম কিন্তু বলতে পারলাম না। সাহস কোথাই চলে গেল। বুকে থুথু কোন কাজে লাগেনি।  মেয়টি বুঝতে পারল কিন্তু না বুঝার বান করে স্কুলের ভীতর চলে গেল। আমিও আদুভাইয়ের মত ক্যালাশ রুমের চলে গেলাম। মন আনচান, পকেটে চিঠি। কি যে করি।  

এই দিকে,  দপ্তরী কাম ডং ডং করে ব্যাল বাজাল।  কেলাসের সময় হল। ক্লাস রুমে 
মাস্টার আসলো, হাজিরা খাতা নিয়ে রুল ডাকা শুরু ১.২.৩.৪.৫.----৬.৬.৬। কেলাসের ছাত্র ছাত্রীবৃন্দ সকলে আমার দিকে চেয়ে আছে। মাস্টার সাব রেগে আগুন। এখনো আমি বেহুশ, পকেটে চিঠি নিয়ে চিন্তায় আছি।  টপাস করে ডাস্টারের বারী, স্যার সরি। কি হইছে, এতো ডাকি। মন কোথায়।ডাস্টারের বারী খেয়ে চুপ করে আছি।  মাস্টার সাব আবার ৭.৮.৯.১০ করে রুল ডাকা শেষ করে পড়া লেখা শুরু  করল। এই দিকে আমার মনে চলতেছে, ঐ দেখা যায় তাল গাছ, ঐ আমাদের গাঁ, ঐ খানেতে বাস করে, আমার বন্ধুর ভালোবাসা।
 
আজ যেন সময় শেষ হচ্ছে না। মনে হয় কিছু হওয়ার আগে সময়টা থেমে থেমে চলে। কি জানি কি হচ্ছে। ১ নয় ২ নয়  কবে শেষ হবে প্রথম ৪ ঘণ্টা। কবে টিপিন ছুটি দেবে তার অপেক্ষাই আছি। কখন বন্ধুর দেওয়া চিঠি খানা, তার সুন্দরি রূপসী, স্বপ্নের রাজ কুমারি কে দেবো। চিঠি দেওয়ার জন্য বেকুল হয়ে আছি, মন মানে না নার্ভাস লাগতেছে। অবশেষে  দপ্তরী ডং ডং করে ব্যাল বাজাল। অপেক্ষার সময় শেষ হল, টিপিন ছুটি্র ঘণ্টা দিল। খাবার বিরতি।  

সবাই দুপুরে খাবার খাবে আর আমার খাওয়া হবে না। হাতের কাজ শেষ না করে কিভাবে খাবো।বন্ধুর প্রেমে পিয়ন আমি, পকেটে চিঠি নিয়ে মেয়েটির পিছু নিলাম। স্কুল থেকে ১০ মিনিটের পথ, মেয়রটির বাড়ি। টিপিন এর খাবার বাড়ি থেকে খেয়ে আসে। তাই তাড়াতাড়ি করে হেটে যাচ্ছে বাড়ির দিকে। আমিও তার পিছে হেটে যাচ্ছি কিছু বলার সাহস পাচ্ছি না। আমার বাড়ি বা চায়ের দোকান ঐ দিকে না ও বুঝতে  পেরেছে তার পিছু নিয়েছি। কিছু দূর যাওয়ার পর ও দাড়িয়ে গেল। কিছু জানতে চাই কিন্তু কি? মেয়েদের মন, বুক পাটে তু মুখ পাটে না। আমি কি যে করি, কিভাবে বলি! লজ্জায় বেঙ্গে পড়লাম। ও দাড়িয়ে গেছে দেখে, আমি তাকে পিছে রেখে সামনের দিকে হেটে কিছু দূরে একটি গাছের নিছে দাঁড়ালাম। ও আসতেছে। লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে সাহস করে বললাম একটু দাড়াও কথা আছে। এই প্রথম কোন মেয়ের সাথে প্রেম বিষয়ে সাক্ষাৎ । হাত পা কাপ্তেছে। চোরের ১০ দিন গৃহস্থের একদিন। আমার কথা সাড়া দিয়ে মেয়ে উত্তর দিল, কি? আমি বললাম, এই পত্র খানা আমার বন্ধু কুদ্দুদ তোমাকে দেওয়ার জন্য দিছে। মেয়েটি বুঝেও না বুঝার কাহিনি করে বলে। ক্যান দিছে? কি জন্য দিছে? হাবিজাবি ইত্তাদি। আমিও না জানার মত, সোজা না।  কিছু জানি না।  শুধু চিঠিখানা তোমাকে দিতে বলেছে। খুলে দেখো, আর স্কুল ছুটির পর উত্তর দিও। মেয়েটি আর কিছু না বলে, হাত বাড়িয়ে চিঠি খানা নিল এবং বাড়ির দিকে চলে গেল। আমি আর ওখান দাঁড়ালাম না। তিড়িং বিড়িং করে চলে আসলাম স্কুলে। কাদের বুঝা হালকা হল।  



ছোট গল্প-মোরগ চুইন্না

কোন এক দিন চায়ের দোকানে বসে ২ই বন্ধু গল্প আড্ডা করে আর মাঝে মাঝে দোকানদারকে চা দিতে বলে। গল্প আড্ডা করে চা খাওয়ার মজা আলাদা, চায়ের দোকানে বসে গল্প আড্ডা করে যারা তারা জানে কি মজা আর কি আনন্দ। দোকানে না বসলে বলতে পারবেনা দোকানের চা কত মজা। যা হোক, এখানে চায়ের দোকানের গল্প নয় মোরগ চুড়াইন্নার গল্প বলা হচ্ছে। ওরা আড্ডাবাজ দুই বন্ধুর একজন অন্যজনকে বলে দুস্ত ঐ দেখ মোরগ চুইন্না যাতেছে। এইত গল্প শুরু হল। মোরগ চুইন্না কাকে বলে জানেন?? জানেন না, জানার কথা নয়। হইত কোন দিন শুনেন নাই? শোনার কথা নয়। কারণ এটা আমার জীবনের সৃতি পাতা থেকে নেওয়া গ্রামের চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দেওয়ার একটি কাহিন নাম দিলাম মোরগ চুইন্না। মোরগ চুইন্না শব্দ বুঝতে পারতেছেন না। না বুঝলে গল্প পড়ে মজা পাবেন না। এই জন্য মোরগ চুইন্না শব্দের অর্থ জেনে নিন। মোরগ- মুরগী। চুইন্না এসেছে চুড়াইন্না শব্দ থেকে এই শব্দটি দিয়ে তাড়ানো, দূরীভূত করা, রাখালী করা ইত্যাদি। তাহলে মোরগ চুইন্না বলতে মুরগী তাড়ানো কাজ কে বুঝানো হয়েছে।

ছোট গল্প-মোরগ চুইন্না

অনেক দিন আগেও গ্রামের মানুষের আর্থিক অবস্তা ছিল দুর্বল ও শিক্ষার হার একেবারেই কম। বর্তমানে শিক্ষার হার কিছুটা বাড়ছে। গল্পটা হল গ্রামের একটি চায়ের দোকানে বন্ধুদের আড্ডাবাজ গল্প। ঐ আড্ডাবাজ গল্প থেকে নামকরণ হল এই গল্পের। গল্পের নাম মোরগ চুইন্না। মোরগ চুইন্না কি ভাবে হল পড়ুন। আগেকার সময় চায়ের দোকানে টেপ, রেডিও, টেলিভিশন, ভিসিআর, সিডি প্লেয়ার ছাড়া চলত না। যে দোকানে এসব আছে ঐ দোকানের কাস্তমার ভরপুর ছিল। এখন আছে প্রায় দোকানে। এখন ডিজিটাল যুগ, ডিস, নেটের দুনিয়া। তখন টেলিভিশন,ভিসিআর, সিডি ছাড়া চায়ের দোকানে বেচাকেনা তেমন চলেনা। তাই টেলিভিশন, ভিসিআর, সিডি ছিল চা ব্যবসা এর একমাত্র মূলধন বা সম্পদ। এই টেলিভিশন দেখার জন্য ভিড় জমাত ছোট ছোট ছেলেরা আর এই ছোট ছেলেদের ঝমেলা সামলাতে দোকানদারকে হিমশিম খেতে হত। কোন কোন দোকানদার ছোট ছেলেদের তাড়াতে নার্ভাস মনে করত। অবুঝ বালক তাদের কিছু বললে মনে কষ্ট পাবে তাই।কিন্তু দোকানদার এই ছোট ছেলেদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ছোট ছেলেদের দল থেকে দুষ্ট ঘারটেরা বলিস্ট ছেলে দেখে একটি দায়িত্ব দেওয়া হতো বাকি ছেলেদের তাড়াতে। যে এই দায়িত্ব পেত, সেই মনের শখে দায়িত্ব পালন করত কারন ও দোকানদারের কাছের লোক হয়ে গেল। যাকে বলে পাওয়ার, ঐ ছেলেকে আর কেউ তাড়াবে না। মনের সুখে টেলিভিশন দেখবে আর ছোট ছেলেদের তাড়াবে। তার সাথে দরজার সামনে দাড়িয়ে মোরগ ও তাড়াবে। এই ভাবে ঐ ছেলে নিয়মিত মোরগ তাড়াই আর দোকানদার তাকে চা বিস্কুট খাওয়ায়। ছেলেটা মহাখুশি চা বিস্কুট খাইতে পারে, মনের সুখে টেলিভিশনও দেখতে পারে। এভাবে দিন যাইতেছে আর ঐ ছেলেকে সবাই এখন মোরগ তাড়াইন্না (ছুড়াইন্ননা- আঞ্চলিক ভাষা) বলে। সবাই তাকে মোরগ চুড়াইন্না নামে ডাকে। বাহ কি সুন্দর পরিচিত পেল। এখন ঐ ছেলে অনেক বড় হয়ে গেছে তার নামও পালটে গেছে। পরিচিত জনের কাছে মোরগ চুড়াইন্না হয়ে গেল। যুগের পরিবর্তন সাথে সাথে এই মোরগ চুড়াইন্না থেকে হয়ে গেল মোরগ চুইন্না। মোরগ চুইন্না গল্প এইখানে শেষ হল। পরবর্তী আকর্শন
( গাল মারইন্নার গল্প)       

তোমার খোলা চিঠি

প্রান প্রিয় সোনায়,
তুমি কেমন আছ যানিনা। যে খানে থাকই ভালো থাক এই আমার শুভ কামনা। আমি ও আল্লাহর রহমতে তোমাদের দোয়াই ভালো আছি।
পরসমচার, আজ আকাশ মেঘলা সব কিছু কেমন যেন মনে হচ্ছে, থেমে আছে। আকাশের সাথে মনের একটা গভির সম্পরক আছে। আমার মনের আকাশে মেঘ জমে আছে। আজ তুমি কাছে নেই তাই মনটা ডানা ভাংগা পাখির মত থরপর থরপর করে যাচ্ছে। বুকের ভিতর থেকে গরম গরম দিরঘ নিরসাস বাহির হচ্ছে। মনে হয় বুকের বিতর কেউ আগুন নিয়ে খেলা করতেছে। এমত অবস্থায় তোমার ঘুমটা পরা কপালে টিপ আর দুটি মিস্টি কমলা মত ঠুটের বাকা হাসি মাখা চবিটি মোবাইলের পরদায় দেখতেছি। তোমাকে অনেক মিস করতেছি। মিস করতেছি আমাদের ভালোবাসার উপহার ছোট সন্তানটিকে তার সাথে পরিবারে সবাইকে। কি আর করব, নিস্টুর এই দুনিয়াই দু-বেলার আহার যোগার করার জন্য বিদাতা তোমাদের কাছ থেকে অনেক দূরে করে রেখেছে। আমি বিসসাস করি আল্লাহ যা করে ভালোই করে। বিসসাস কর আমার হাত পা কেন যানি নিথর হয়ে যাচ্ছে তার সাথে শরির কাপ্তেছে।

এই কেমন বাটপারি!!



ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানি। সব ধর্মের মানুষের বাস। গ্রাম এর সহজ সরল মানুষ ছুটে আসে শহরে। বেঁচে থাকার জন্য কতনা পরিশ্রম করে টাকা আয় করে। সরলতার সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু লোক অসহাই লোকদের ঠকাই চলছে দিন কে দিন। কেউ কথার মায়া ঝালে ধরা পরে কেউ চুর ডাকাতের হাতে পরে আর কেউ বাটপারে হাতে পরে ইত্যাদি।  আজকে আমি আপনাদের কাছে শিয়ার করব জলজেন্ত মানুষকে কি ভাবে হাতিয়ে বাটপারেরা টাকা নিয়ে যাই। রাজধানী ঢাকার গুলিস্থান মোরে অনেক লোক ঘোল করে দাড়িয়ে আছে তার মাঝে বক্তিতা দিতাছে একজন ভদ্র লোকের আড়ালে বিশ্ব বাটপার। মানুষকে আনন্দ দেরার জন্য মাঝে মাঝে দেখানো হচ্ছে কিছু যাদুর খেলা আর ঐ খেলা দেখে সহজ সরল মানুষ বোকা বনে যাচ্ছে বাটপারের কাছে। বোকা মানুষ গুলোকে বড় লোক বানিয়ে দেবে বলে বক বক করে যাচ্ছে বাটপার। বোকা মানুষেরা গভির মন দিয়ে শুন্তেছে। কতনা মধুর কণ্ঠে আলাপ ছাড়তেছে আল্লাহ রাসুল ও বিভিন্ন পির অলিয়ার মাজার শরিপ  কে নিয়ে। বাটপারের কতা মত কাজ করলে ঘুমের মাঝে পেয়ে যাবে কোটি প্রতির টিকেট। আর ঐ বাটপারে কথা সবাই মনযোক দিয়ে শুনে যাচ্ছে। ঘোলের মাঝে না গেলে বুঝাই কেমন করে। কিছুখন

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে একটিভ থাকুন

১লা মে দিবস / শ্রমিকের অধিকার আদায়ের দিন

১লা মে দিবসের ছবি ১লা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস পালন করা হয়। ১লা মে মহান মে দিবস। ১লা মে বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন। ১৮৮৬ স...