স্বাগতম

সবার জন্য উন্মুক্ত পেইজ ভিজিট করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। *** শিক্ষার কোন বয়স নাই, জানার কোন শেষ নাই। *** বিঃদ্র ( যে সকল ব্লগ বা ওয়েবসাইট এর লেখা কোন অনুমতি ছাড়া কপি করে এখানে পোষ্ট করেছি, যদি কারো কোনো অভিযোগ থাকে দয়া করে জানাবেন। E-mail: nchafa10@gmail.com, ভালো লাগলে আবার আসবেন।***ধন্যবাদ***

কাপড় বা গজ কাপড় কেনাবেচা করার জন্য সুতা-গিরা-ইঞ্চি -হাত-ফুট-গজ হিসাব জেনে নিন

বেবসা বা নিজ প্রয়োজনে, মার্কেট মহলে দোকান বা গ্রাম অঞ্চলে গজ কাপড় কেনাবেচা করতে হয়। কাপড় বা গজ কাপড় এর সঠিক দাম জানা থাকলে সবাই কেনাবেচা করতে পারে। কিন্তু গজ কাপড় এর হিসাব কীভাবে করা হয় সবাই জানে না। গজ কাপড় হিসাব না জানার কারণে ক্রয় বিক্রয় করার সময়ে ক্ষতির সম্ভবনা থাকে। ক্ষতির হাত থেকে বাঁচার জন্য সুতা গিরা ইঞ্চি হাত ফুট গজ কাপড়ের হিসাব বের করার নিয়ম জানতে হবে।

কাপড়ের হিসাব কি? 
কাপড়ের হিসাব বলতে বুঝায় মোট কাপড়ের সংখ্যা, কাপড়ের সুতার সংখ্যা, দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা, ওজন, গাইড, প্যাকেট, রোল, পিস ইত্যাদি।
kaporer hisab 
আসুন জেনে নেওয়া যাক, কাপড়ের মাপের হিসাবঃ সাধারণত কাপড় মাপার হিসাব করা হয় গজ ফুট হিসাব বা ফুট গজের হিসাবে। বেবসা বা নিজ প্রয়োজনে দোকান বা গ্রাম অঞ্চলে গজ কাপড় কেনাবেচা করার সময় প্রায় দেখা যায় গজ ফুট হাত ইঞ্চি গিরা সুতা হিসাব এর ব্যাবহার।

৮ সুতা = ১ ইঞ্চি
১২ ইঞ্চিতে ১ ফুট
৩ ফুটে ১ গজ
১ গজ সমান ২ হাত
১ হাত সমান ১৮ ইঞ্চি প্রায়।

নিচের ধাপ অনুসরণ করে আরও বিস্তারিত সুতা-গিরা-ইঞ্চি -হাত-ফুট-গজ হিসাব জেনে নিন।
গজ কাপড় কেনাবেচা করার জন্য সুতা হিসাবঃ১ সুতা সমান ০.০০৩৫ গজ
১ সুতা সমান ০.০১০৪ ফুট
১ সুতা সমান ০.১২৫ ইঞ্চি
১ সুতা সমান ০.০০৬৯ হাত
১ সুতা সমান ০.০৫৫৬ গিরা

গজ কাপড় কেনাবেচা করার জন্য গিরা হিসাবঃ
১ গিরা সমান ০.০৬২৫ গজ
১ গিরা সমান ০.১৮৭৫ ফুট
১ গিরা সমান ২.২৫ ইঞ্চি
১ গিরা সমান ০.১২৫ হাত
১ গিরা সমান ১৮ সুতা

গজ কাপড় কেনাবেচা করার জন্য ইঞ্চি হিসাবঃ 
১ ইঞ্চি সমান ০.০২৭৮ গজ
১ ইঞ্চি সমান ০.০৮৩৩ ফুট
১ ইঞ্চি সমান ০.০৫৫৬ হাত
১ ইঞ্চি সমান ০.৪৪৪৪ গিরা
১ ইঞ্চি সমান ৮ সুতা

গজ কাপড় কেনাবেচা করার জন্য হাত হিসাবঃ 
১ হাত সমান ০.৫ গজ
১ হাত সমান ১.৫ ফুট
১ হাত সমান ১৮ ইঞ্চি
১ হাত সমান ১৪৪ সুতা

গজ কাপড় কেনাবেচা করার জন্য ফুট হিসাবঃ 
১ ফুট সমান ০.৩৩৩৩ গজ
১ ফুট সমান ১২ ইঞ্চি
১ ফুট সমান ০.৬৬৬৭ হাত
১ ফুট সমান ৫.৩৩৩৩ গিরা
১ ফুট সমান ৯৬ সুতা

গজ কাপড় কেনাবেচা করার জন্য গজ হিসাবঃ 
১ গজ সমান ৩ ফুট১ গজ সমান ৩৬ ইঞ্চি
১ গজ সমান ২ হাত
১ গজ সমান ১৬ গিরা
১ গজ সমান ২৮৮ সুতা

এচাড়াও টেইলার্স এর দোকান বা দর্জি খানা বা কাপড় কাটার মাপ বা সেলাই মেশিনের কাজ শেখার জন্য সুতা গিরা ইঞ্চি ফুট গজ হিসাব জেনে নিন।

১ ইঞ্চি = ৮ সুতা১ সুতা = ৮ ভাগের ১ ভাগ।
২ সুতা = ১/৪
৩ সুতা = ৩/৮
৪ সুতা = ১/২
২ সুতা = সোয়া
৪ সুতা = সাড়ে
৬ সুতা = পনে
১ গিরা = ২ ইঞ্চি ২ সুতা বা ২.২৫ ইঞ্চি প্রায়

সিকি ইঞ্চি = ১ ইঞ্চির ৪ ভাগের ১ ভাগ।
সিকি ইঞ্চি বা সিকি কি? সিকি হল বাংলাদেশের একটি মুদ্রা বা টাকা বা পয়সা। ১ সিকি = ৪ আনা= ২৫ পয়সা আরও পড়ুন আনা হিসাব

আধা ইঞ্চি= ১ ইঞ্চির ২ ভাগের ১ ভাগ।
পৌনে ইঞ্চি= ১ ইঞ্চির ৪ ভাগের ৩ ভাগ।

কাপড় বা গজ কাপড় হিসাবের ধারনা উপরের অংশর পড়ে জানতে পাড়লাম। এবার আসুন নিচের ধাপ অনুসরণ করে কাপড় বা গজ কাপড়ের কিছু ধারনা অর্জন করি।

আমরা জানি, কাপড়ের বিভিন্ন ধরনের বহর হয়। যেমনঃ ২ হাত, ২.৫ হাত, ৩ হাত এবং সর্বোচ্চ ৩.৫ হাত। এছাড়াও ৫ হাত বহরে বিছানার চাদরের কাপড় হয়।

শার্ট পেন্ট বা জামা পায়জামা পাঞ্জাবির তৈয়ার করার জন্য কোন বহরের কি পরিমাণ কাপড় লাগবেঃ

মনে রাখবেন, ১ হাত সমান ১৮ ইঞ্চি। তাহলে,
২ দুই হাত বহরে ৩৬ ইঞ্চি কাপড় থাকার কথা। কিন্তু ৩৬ ইঞ্চি থাকে না। সাধারণত ৩৪, ৩৩, ৩২, ৩১ ইঞ্চি পরিমাপের কাপড় হয়।
২ হাত বহরের কাপড় দিয়ে, জামা বানানোর জন্য ২.৫ গজ কাপড় লাগে। পায়জামার জন্য লাগে ২ গজ ৪ গিরা। পাঞ্জাবির জন্য লাগে ২ গজ ৪ গিরা। শার্টের জন্য লাগে ২.৫ গজ।

মনে রাখবেন, ১ হাত সমান ১৮ ইঞ্চি। তাহলে,
২.৫ হাত বহরে ৪৫ ইঞ্চি কাপড় থাকার কথা। কিন্তু ৩৬ ইঞ্চি থাকে না। সাধারণত ৪৪ - ৩৯ ইঞ্চি পরিমাপের কাপড় হয়।
২.৫ হাত বহরের কাপড় দিয়ে, জামা বানানোর জন্য ২ গজ কাপড় লাগে। পায়জামার জন্য লাগে ২ গজ। পাঞ্জাবির জন্য লাগে ২.৫ গজ এবং শার্ট এর জন্য লাগে ২ গজ কাপড়।

মনে রাখবেন, ১ হাত সমান ১৮ ইঞ্চি। তাহলে,
৩ হাত বহরে ৫৪ ইঞ্চি কাপড় থাকার কথা। কিন্তু ৫৪ ইঞ্চি থাকে না। সাধারণত ৫৪ -৪৮ ইঞ্চি পরিমাপের কাপড় হয়।
৩ হাত বহরের কাপড় দিয়ে, জামা বানানোর জন্য ১.৫ গজ কাপড় লাগে। পায়জামার জন্য লাগে ১.৫ গজ, পাঞ্জাবির জন্য লাগে ২ গজ এবং শার্ট জন্য লাগে ১.৫ গজ কাপড়।

মনে রাখবেন, ১ হাত সমান ১৮ ইঞ্চি। তাহলে,
৩.৫ হাত বহরে ৬৩ ইঞ্চি কাপড় থাকার কথা। কিন্তু ৬৩ ইঞ্চি থাকে না। সাধারণত ৬২-৫৮ ইঞ্চির পরিমাপের কাপড় হয়। আর মনে রাখবেন। সুতি কাপড়গুলো সাধারণত ২-২.৫ বহরের হয়। সুতি কাপড় ৩-৩.৫ হাত বহরের হয় না। বিশেষ কোন কারণে যদিও হয়, তবে খুব কম সংখ্যক কাপড় হয়।

এ চাড়াও, মাখন জরজেট, সাম্মু সিল্ক, নিলেন এবং বোরকার কাপড়গুলো সাধারণত ৩-৩.৫ হাত বহরের হয়ে।

কাপড় বা গজ কাপড় কেনাবেচা করার জন্য সুতা-গিরা-ইঞ্চি -হাত-ফুট-গজ হিসাব জেনে রাখা ভালো।

জীবিত গরুর মাংসের হিসাব পদ্ধতি

গরু দেখে আনুমানিক ওজন বা গরুর মাংসের হিসাব বাহীর করার পদ্ধতি কি জানার চেষ্টা করিঃ   

গ্রামে অঞ্চলে কমবেশী সকলে গরু পালন করে। গরুর ওজন বা ভালো দাম পাওয়ার জন্য আনুমানিক গরুর ওজন জানার জন্য একটি প্রাথমিক ধারনা থাকার প্রয়োজন। আনুমানিক গরুর ওজন জানতে পারলে, আনুমানিক গরুর মাংসের ওজন জানা যায়। নিচের ধাপ অনুসরণ করে আনুমানিক ওজন বা গরুর মাংসের হিসাব জেনে নেওয়া যাক।


একটি জীবিত গরুর আনুমানিক ওজন কত হবে বা একটি গরু থেকে কত কেজি মাংস পাওয়া যাবে তাহার হিসাব বাহীর করার জন্য গরুর ওজন মাপার সূত্র জানতে হবে। 

জীবিত গরুর মাংস হিসাব করার নিয়ম বা গরুর ওজন মাপার সূত্র W = L x G x G ÷ 660। এই সূত্রের মাধ্যমে ফিতা দিয়ে ওজন অনুমান করা যায়। এছাড়াও আর সহজে ডিজিটাল স্কেল বা মিটার দিয়ে সহজে গরুর ওজন মাপা যায়। 


আসুন, ফিতা দিয়ে সহজ ভাবে গরুর ওজন বাহীর করি। 

গরুর ওজন মাপার সূত্রঃ W = L x G x G ÷ 660

এখানে, 

W = weight = ওজন 

G= Girth = ঘের, পরিধি, উদরের বেড়, বুকের বেড় 

L= Length = দৈর্ঘ্য, লম্বা, দীর্ঘ

অর্থাৎ গরুর ওজন = গরুর দৈর্ঘ্য X বুকের বেড় X বুকের বেড় ÷ ৬৬০


বর্ণিত সূত্রের মাধ্যমে গরুর ওজন  ৯৫-১০০ ভাগই সঠিক হয়ে থাকে। 


আসুন একটি গরুর ওজন বাহীর করার পদ্ধতি বিস্তারিত ভাবে জেনে নেওয়া যাক। 

ফিতা দিয়ে ওজন বাহীর করার জন্য গরুর ২টা মাপ নিতে হবে। 

১। দৈর্ঘ্য

২। বুকের বেড় 

কীভাবে মাপ নিতে হবে। নিচের ছবিতে দেখুন।  

গরুর ওজন মাপ নেওয়ার নিয়ম


গরুর ওজন মাপ নেওয়ার পদ্ধতিঃ 

১। গরুর দৈর্ঘ্য মাপ নেওয়ার পদ্ধতিঃ গরুর লেজের গোড়া থেকে সামনের পায়ের জোড়ার গিট পর্যন্ত দৈর্ঘ্য মাপ নিতে হবে। না বুঝলে উপরের ছবি দেখুন। 

২। বুকের বেড় নেওয়ার পদ্ধতিঃ  সামনের দুই পায়ের কাছ দিয়ে ফিতার সাহায্যে বুকের বেড় মাপ করতে হবে।  

মনে রাখবে, আনুমানিক গরুর ওজন বা মাংসের হিসাব বাহীর করার জন্য ইঞ্চিতে মাপ নিতে হবে। 

কীভাবে মাপ নিতে হবে। নিচের ছবিতে দেখুন।  


গরুর ওজন মাপ নেওয়ার নিয়ম ইঞ্চিতে দেখানো হল

উদাহরণঃ

১টি গরুর দৈর্ঘ্য ৪৫ ইঞ্চি এবং  বুকের বেড় ৫৫ ইঞ্চি হলে। উক্ত গরুর ওজন বা কত কেজি মাংস হবে। 


আমরা জানি, 

গরু মাপার সূত্রঃ ওজন = (গরুর দৈর্ঘ্য X বুকের বেড় X বুকের বেড়) ÷ ৬৬০

সূত্র মতে গরুর ওজন = গরুর দৈর্ঘ্য X বুকের বেড় X বুকের বেড় ÷ ৬৬০

ওজন  = (৪৫ x ৫৫ x ৫৫) ÷ ৬৬০

ওজন =  (১৩৬১২৫) ÷ ৬৬০

ওজন = ২০৬.২৫ 

সুতারাং গরুর ওজন = ২০৬.২৫ প্রায়  

এই সূত্র মতে, এখানে ২০৬.২৫ প্রায় গরুর নাড়িভুড়ি হাড় চামড়া সহ সবকিছুর ওজন। 


এখানে যে ওজন পাওয়া গেছে তার ৫৫-৬৫ শতাংশ পর্যন্ত আনুমানিক উক্ত গরুর মাংসের ওজন হবে। 

শতাংশ বা শতক হিসাবে গরুর নাড়িভুড়ি হাড় চামড়া সহ সবকিছুর ওজন থেকে শতাংশে মাংসের ওজন বাহীর করার নিয়মঃ  

উক্ত গরুর মোট ওজন ২০৬.২৫ হলে, ৫৫ শতাংশ ধরে হিসাব করি। মোট গরুর ওজন ২০৬.২৫    x ৫৫  ÷ ১০০ =১১৩.৪৩৭৫ প্রায় কেজি আনুমানিক মাংস হবে।     

আবার

উক্ত গরুর মোট ওজন ২০৬.২৫ হলে, ৬৫ শতাংশ ধরে হিসাব করি। মোট গরুর ওজন ২০৬.২৫    x ৬৫  ÷ ১০০ = ১৩৪.০৬২৫ প্রায় কেজি আনুমানিক  মাংস হবে।       

যে লাউ সেই কদু। বিশ্বাস না হলে উল্টো করে দ্যাখ

যে দিক থেকে মন চাই, যেভাবে কর। আর যেভাবে পড়, শব্দের মান একই থাকবে। ইহাকে প্যালিনড্রোম বলে। প্যালিনড্রোম হলো এমন একটি শব্দ, সংখ্যা বা বাক্য যা সামনে থেকে বা পেছন থেকে , উভয় দিক থেকেই একই রকম পঠিত হয়। বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষায় একটি আছেঃ যে লাউ সেই কদু। বিশ্বাস না হলে উল্টো করে সাজাও, পড়, লেখ, দেখ  এমন কিছু শব্দ।  

যেমনঃ 
জানাজা,
দরূদ, 
নবজীবন,
 নতুন,
 নবীন, 
জমজ, 
হুবহু, 
সমাস, 
মা, 
বাবা, 
পাপপা, 
বুবু, 
দিদি,
বিবি, 
দাদা, 
নানা, 
মামা, 
মাসিমা, 
কাকা, 
চাচা, 
ফুফু, 
মলম, 
নয়ন,
কনক, 
নাভানা,  
মাসুমা, 
মাহিমা, 
লিলি, 
মিমি, 
লায়লা, 
ওমিও, 
ঘুঘু, 
ঝিঁঝিঁ, 
বিসিবি, 
কর্তৃক, 
চামচা, 
বিজিবি, 
খামাখা, 
ওয়াও, 
বলব, 
ধাঁধাঁ, 
নবযৌবন, 
থুথু, 
নুনু, 
দুদু, 
পেপে, 
হাহাহা, 
টাটা, 
রমা কান্ত কামার, 
দরদ 
সন্ত্রাস ইত্যাদি।


২০ টি মজার ধাঁধা উত্তর সহ

কঠিন ধাঁধা উত্তর সহ ১৮+ - যে কেউ পড়তে পারবে। উপস্থিত বুদ্ধির খেলা জ্ঞান মূলক প্রশ্ন ও উত্তর।

ধাঁধা

২০ টি মজার ধাঁধা দেওয়া হল। ২০ টি মজার ধাঁধার উত্তর নিচে দেওয়া আছে।

  1. পাতা ভরা, গাছ নয়! কথা বলে, জীব নয়!?
  2. কোন জামা গাঁয়ে দেয় না?
  3. সাত দিনের নাম বাদ দিয়ে, ৩ দিনের নাম বলতে পারবে? আরও সহজ করে দেওয়া হল। যেমনঃ শনিবার,রবিবার, সোমবার, মঙ্গলবার, বুধবার, বৃহস্পতিবার, শুক্রবার এই ৭ দিনের নাম ব্যবহার না করে তিন দিনের নাম বলতে হবে?
  4. কোন গ্রামে শীত নাই ?
  5. কোন জিনিস ছেলেদের লোকানো থাকে,আর মেয়েদের বাহির করা থাকে!!!
  6. থুতু দিয়ে লেপ দেয়, পথ দেখে ঢুকায় দেয়?
  7. বলুন দেখি কোন প্রশ্নের উত্তরে কখনো হ্যাঁ বলা যায়না?
  8. যার আছে সেই ঢোকায়,আর যার নাই সে আঙ্গুল ঢোকায়!!!
  9. জলে থাকা একটি পিচ্ছিল ল্যাটা মাছ খালি হাতে ধরলেন অথচ মাছটি হাত থেকে পড়ল না কেন?
  10. আপনার কোন জিনিসটি, আপনার বন্ধু বেশী USE করে?
  11. চির চির পাতা মির মির ডাল খাইতে মজা ভিতরে লাল ?
  12. কোন দেশে মাটি নেই ??
  13. চিকন পাতার বাঁকা ফল, দেখলে মুখে আসে জল, জিনিসটা কি?
  14. ইড়িং বিড়িং তিড়িং ভাই,চোখ দুটি তার মাথা নাই। আছে দুটি বাঁকা হাত,পানিতে বসে খায় ভাত
  15. আমি তুমি একজন, দেখি একই রূপ! আমি কতো কথা কই, তুমি কেন চুপ
  16. আমি যাকে মামা বলি, বাবাও বলে তাই, ছেলেও মামা বলে, মাও বলে তাই
  17. জর্ন্মে ২ই শিং, মরনে ২ই শিং। যৌবোন কালে নাই শিং? বলেন দেখি জিনিসটা কি?
  18. কোন জিনিসটা যতো বেশি হয় আমরা কম দেখি
  19. টাকা দ্বিগুণ করার সহজ উপায় কী
  20. ছোট একটা পৃথিবী, বারটা তার ফ্যাক্টরি, তিনটি তার কর্মচারী।
dhadha2hasi
এরকম আরও মজার ধাঁধা ও হাঁসির গল্প পড়ুন dhadha2hasi


২০ টি মজার ধাঁধার উত্তরঃ
  1. বই
  2. পায়জামা
  3. গতদিন, আজকের দিন  এবং আগামী দিন। কাল ৩টি 
  4. কিলোগ্রাম, ইনস্টাগ্রাম
  5. ম্যানিব্যাগ
  6. সুইয়ে সুতো ডোকানো
  7. no
  8. ব্রাশ
  9. মরা মাছ
  10. নাম
  11. ডালিম
  12. সন্দেশ
  13. তেতুল
  14. কাঁকড়া
  15. ছবি
  16. চাঁদ
  17. চাঁদ
  18. রাত/ অন্ধকার
  19. আয়নার সামনে ধরো, তাহলেই দ্বিগুণ দেখাবে!
  20. ঘড়ি
এরকম আরও মজার ধাঁধা ও হাঁসির গল্প পড়ুন dhadha2hasi

প্রশংসা পত্র/ প্রত্যয়ন পত্র কি কাজে লাগে

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা বানিজ্য, চাকরী বা সরকারি বেসরকারি কোন কাজের জন্য কোন ব্যক্তির চারিত্রিক সম্পর্কে কোন সম্মানী ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক থেকে লিখিত দলিল স্বরুপ প্রত্যয়নপত্র, প্রত্যয়নপত্র, প্রশংসাপত্র, প্রমাণপত্র, পরিচয়পত্র ইত্যাদি দেওয়া হয়। যা দ্বারা প্রমাণ,সাক্ষ্য প্রভৃতি বোঝানো হয়।


প্রত্যয়ন পত্র কি?
প্রত্যয়নপত্র এক প্রকার সনদ। সনদ এর প্রতিশব্দ হল সনন্দ, আদেশপত্র, হুকুমনামা, ফর্মান; দলিল, উপাধিপত্র, সনদপত্র, প্রমাণপত্র ইত্যাদি।

সুতারাং প্রত্যয়ন পত্র মানে সনদপত্র ইংরেজি Certificate এর বাংলা প্রতিশব্দ প্রমাণপত্র, পরিচয়পত্র ইত্যাদি।


প্রত্যয়ন পত্র বলতে কি বুঝ?
আমরা প্রত্যয়নপত্র বলতে বুঝি, কোন প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনে থাকা অবস্থায় উক্ত প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের প্রধান কর্তৃক স্বাক্ষরিত, কোন ব্যক্তির নাম ঠিকানা, স্বভাব ও চরিত্র ভালো উল্লেখ করে লিখিত প্রসংশা করা।


প্রত্যয়ন পত্র কাকে বলে?
মনে করেন, নিজের বিশেষ প্রয়োজনে কোন ব্যক্তি বা তার প্রতিষ্ঠান থেকে কোন বিষয় লিখিত দলিল আকারে প্রমাণপত্র কে প্রত্যায়ন পত্র বা সনদ বলা হয়।
এক কথায়, যে কোন বিষয়ের লিখিত কোন দলিলকে প্রত্যায়ন বা প্রত্যায়নপত্র বলা হয়।


prottoyon potro ki kaje lage


প্রশংসা পত্র হচ্ছে সাবেক শিক্ষার্থীদের পরিচয় প্রদানকারী পত্র যেটা নতুন স্কুল কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রয়োজন পড়ে।

তাছাড়াও এমন অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেগুলোতে চাকরির এপ্লাই করার পাশাপাশি বিভিন্ন কোর্সে ভর্তি হবার কারণে ও প্রশংসা পত্র জমাদানের প্রয়োজন পড়ে।


প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়মঃ
প্রত্যয়ন পত্র বিভিন্ন রকমের হতে পারে। যেমন: নাগরিক প্রত্যয়ন পত্র, কোন প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়ন পত্র, কলেজের প্রত্যয়ন পত্র, প্রমাণপত্র, পরিচয়পত্র, ইত্যাদি।

প্রত্যয়ন পত্র কিভাবে লিখতে হয়, প্রত্যয়ন পত্রের ধরন বাছাই করে প্রত্যয়ন পত্র লিখতে হয়।

যেমনঃ চাকরি অভিজ্ঞতা সম্পর্কে কোন প্রতিষ্ঠান্র থাকা কালিন উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে প্রধান কর্তৃক স্বাক্ষরিত প্রত্যয়ন পত্র সংগ্রহ করতে হয়।


প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র লেখার নিয়মঃ খালি-স্থান পূরণ করে কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র লেখা শুরু করেন। prottoyon potro format bangla


(১)


প্রত্যয়ন পত্র

তারিখঃ ৫ নভেম্বর ২০২৩ ইং

এই মর্মে প্রত্যয়ন করা যাচ্ছে যে, নামঃ ---------, পিতাঃ ----------, মাতাঃ ---------, গ্রামঃ-----------, পোস্ট অফিসঃ ----------, থানাঃ--------, জেলাঃ -----। একজন নিষ্ঠাবান এবং দায়িত্ববান সৎ কর্মী হিসেবে (প্রতিষ্ঠানের নাম) বেশ কৃতিত্বের সাথে ----- পদে দায়িত্ব পালন করিতেছেন। তাকে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বেতন ভাতা বাবদ -------- টাকা প্রদান করা হয়। ( আরও কোন বিষয় যুক্ত করতে চাইলে করতে পারেন)

আমি তার ভবিষ্যৎ জীবনের সফলতা কামনা করছি এবং এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি সে যেনো নিজের পরিবারের এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম বৃদ্ধি করতে পারে।


জেনারেল ম্যানেজার
(প্রতিষ্ঠানের নাম)




(২)


প্রত্যয়ন পত্র


তারিখঃ ৫ নভেম্বর ২০২৩ ইং

এই মর্মে প্রত্যয়ন করা যাচ্ছে যে, নামঃ ---------, পিতাঃ ----------, মাতাঃ ---------, গ্রামঃ-----------, পোস্ট অফিসঃ ----------, থানাঃ--------, জেলাঃ -----। একজন নিষ্ঠাবান এবং দায়িত্ববান সৎ কর্মী হিসেবে (প্রতিষ্ঠানের নাম) বেশ কৃতিত্বের সাথে --------- পদে দায়িত্ব পালন করে আসছে। তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং কর্মদক্ষতা ভালো। ( আরও কোন বিষয় যুক্ত করতে চাইলে করতে পারেন, না করলে চলবে)

আমি একান্ত আশাবাদী, তিনি ভবিষ্যৎ কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত হবেন সে কোম্পানির বা প্রতিষ্ঠানের তার প্রতি আরোপকৃত সকল দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে সম্পাদন করবেন।

জেনারেল ম্যানেজার
(প্রতিষ্ঠানের নাম)


কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় কলেজের প্রত্যয়ন পত্র প্রয়োজন হতে পারে, কলেজের প্রত্যয়ন পত্র নমুনা




---------- সরকারি কলেজ
হিসাববিজ্ঞান বিভাগ
ব্যবসায়ী শিক্ষা অনুষদ
-------, বাংলাদেশ


প্রত্যয়ন পত্র
এই মর্মে প্রত্যয়ন করা যাচ্ছে যে, নাম:-------- পিতা:--------- মাতা:----গ্রাম:----পোস্ট অফিস:----থানা:----জেলা:-----, বাংলাদেশ। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে, --------সরকারি কলেজে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ২য় বর্ষের একজন নিয়মিত ছাত্র। তার শ্রেণী রোল:----, শিক্ষাবর্ষ:-----। সে সর্বদা এই কলেজের নিয়ম ও শৃঙ্খলা বজায় রেখেছে। আমার জ্ঞাতসারে, তার স্বভাব ও চরিত্র ভালো।

আমি তার সর্বাঙ্গীন মঙ্গল ও সাফল্য কামনা করছি।

শ্রেণী শিক্ষকের স্বাক্ষর: প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর:





প্রশংসা পত্র কি?
প্রশংসা এক প্রকার সনদ। সাধারণত ভাবে আমরা জানি, প্রশংসা পত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে দেওয়া হয়। প্রশংসা পত্র হচ্ছে, গত/ সাবেক শিক্ষার্থীদের পরিচয় প্রদানকারী পত্র। যেটা নতুন স্কুল কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রয়োজন পড়ে।

প্রসংসাপত্র ইংরেজি Testimonial,Certificate এর বাংলা প্রতিশব্দ প্রমাণপত্র, পরিচয়পত্র ইত্যাদি।

প্রশংসা পত্র বলতেভ কি বুঝি?
আমরা প্রসংসাপত্র বলতে বুঝি, কোন প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন থেকে গত/ সাবেক হওয়ার পর উক্ত প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের প্রধান কর্তৃক স্বাক্ষরিত, কোন ব্যক্তির নাম ঠিকানা, স্বভাব ও চরিত্র ভালো উল্লেখ করে লিখিত প্রসংশা করাকে বুঝায়। তাকে আমরা প্রশংসা পত্র বলি।


prosongsa potro ki kaje lage
প্রশংসা পত্র নতুন স্কুল কলেজে ভর্তির হওয়ার জন্য লাগে। এছাড়াও প্রায় প্রতিষ্ঠানে চাকরির দরখাস্ত ও বিভিন্ন সংগঠন কোর্সে ভর্তি হওয়ার জন্য লাগে।

প্রশংসা পত্রের জন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট দরখাস্ত লেখার নিয়মঃ খালি-স্থান পূরণ করে কোম্পানির প্রত্যয়ন পত্র লেখা শুরু করেন। prosongsa potro bangla application

নিয়মঃ ১

তারিখ: ----------------

বরাবর,
প্রধান শিক্ষক,
--------- বিদ্যালয়
-----------, বাংলাদেশ।

বিষয়: প্রশংসাপত্রের জন্য আবেদন

জনাব,
সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার বিদ্যালয়ে গত পাঁচ বছর কৃতিত্বের সঙ্গে অধ্যয়ন করেছি। আপনার বিদ্যালয় থেকে ---- সালে --- বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়ে A গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছি। বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলাম এবং কখনো কোনোরকম আইন-শৃঙ্খলাবিরোধী কাজে অংশগ্রহণ করিনি। কয়েক দিনের মধ্যে কলেজ গুলোতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি শুরু হবে। তাই আমার একটি প্রশংসাপত্র প্রয়োজন।

অতএব অনুগ্রহপূর্বক আমাকে আমার চারিত্রিক ও শিক্ষা বিষয়ক প্রশংসাপত্র প্রদান করতে বাধিত থাকবেন।

নিবেদক
আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র

---------------------




নিয়মঃ২

তালিখ:..

অধ্যক্ষ
------বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ।
------, বাংলাদেশ।

বিষয়: প্রশংসা পত্র/ ছাড়পত্রের জন্য আবেদন।

জনাব,
সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার কলেজের একাদশ শ্রেনির প্রথম বর্য়ের একজন ছাত্র/ছাত্রী। আমার বাবা একজন চাকরিজীবী। তার চাকরীর বদলি জনিত কারনে কর্মস্থ পরিবর্তন হওয়াই আমাদের পরিবার নতুল কর্মস্থল চলে যেতে হচ্ছে। এমতাবস্থায়, কলেজ থেকে প্রশংসা পত্র/ ছাড়পত্র গ্রহন করার প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে।

অতএব, এ পরিপ্রেক্ষিতে আমাকে কলেজ থেকে প্রশংসা পত্র/ ছাড়পত্র প্রদান করার জন্যে সবিনয় আবেদন জানাচ্ছি।

বিনীত নিবেদক
আপনার একান্ত অনুগত ছাত্র
-----------------

আপডেট চলতেছে......

বালিয়াদি মির্জা শাহ্‌ (রাহঃ) জামে মসজিদ কমিটির উদ্যোগে ১০ই নভেম্বর ২০২৩ ইংরেজি, শুক্রবার ১৪ তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল

বালিয়াদি মির্জা শাহ্‌ (রাহঃ) জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে ১০ই নভেম্বর ২০২৩ ইংরেজি, শুক্রবার ১৪ তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল এর আয়োজন করা হয়েছে। স্থানঃ মসজিদ প্রাঙ্গন। বালিয়াদি, ৯ নং ওয়ার্ড, ১৪ নং হাইতকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ, মিরসরাই, চট্টগ্রাম 

baliadi mirja shaj jame mosjid

উক্ত মাহফিলে আপনাদের সকলের প্রতি দীনি দাওয়াত রইলো এবং দলে দলে যোগদান করিয়া দোজাহানের অশেষ নেকি হাসিল করুন।


১২১ নং দক্ষিন বালিয়াদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

১২১ নং দক্ষিণ বালিয়াদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর পরিচিতিঃ 
গ্রাম - বালিয়াদি, পোস্ট অফিসঃ বালিয়াদি-৪৩১১, ওয়ার্ড-  ৯, ইউনিয়ন- ১৪ নং হাইতকান্দি,  থানা- মিরসরাই, জেলা- চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ । 
সংক্ষেপেঃ বালিয়াদি, মিরসরাই, চট্টগ্রাম অথবা বালিয়াদি, ৯ নং ওয়ার্ড, ১৪ নং হাইতকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ, মিরসরাই, চট্টগ্রাম 

Village- Baliadi, Post Office: Baliadi-4311, Woard-9 nong , Union- 14 nong haitkandi union porishad, P.S- Mirsorai, Deistic- Chattagram. Bangladesh. 

baliadi, mirsorai, chittagong or baliadi, 9 nong word, 14 nong haitkandi union porishad.  mirsorai, chittagong 

আন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কৃর্তক আয়োজিত বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ইউনিয়ন পর্যায়ে পুরস্কারপ্রাপ্ত ও বিদ্যালয় কৃর্তক আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীর ছবিঃ


দক্ষিণ বালিয়াদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়


 দক্ষিণ বালিয়াদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০২২ সালের ৫ম শ্রেণির ক্লাস পার্টির ছবি

দক্ষিণ বালিয়াদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

দক্ষিণ বালিয়াদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় 2021
 
দক্ষিণ বালিয়াদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত বিজয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানের কিছু স্থিরচিত্র।
দক্ষিণ বালিয়াদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাত্রছাত্রী

দক্ষিণ বালিয়াদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাত্রছাত্রী


দক্ষিণ বালিয়াদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাত্রছাত্রী


দক্ষিণ বালিয়াদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ইউনিয়ন পর্যায়ে রানার্স আপ ২০২৩ ইং

ফুটবল টিম 

ইউনিয়ন পর্যায়ে রানার্স আপ কাপ- ২০২৩ ইং  

বালিয়াদি খাদেমুল উলুম মাদরাসা হেফজখানা ও এতিমখানা, স্থাপিত ১৯৪০ ইংরেজি

একটি কওমি দ্বীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বালিয়াদি খাদেমুল উলুম মাদরাসা হেফজখানা ও এতিমখানার প্রবেশদ্বার এর ছবি- ২০১৬ ইং 
 
বালিয়াদি খাদেমুল উলুম মাদরাসা হেফজখানা ও এতিমখানার প্রবেশদ্বার

বালিয়াদি খাদেমুল উলুম মাদরাসা হেফজখানা ও এতিমখানা এর পরিচিতিঃ  

বালিয়াদি খাদেমুল উলুম মাদরাসা হেফজখানা ও এতিমখানা

স্থাপিত ১৯৪০ ইংরেজি 

একটি কওমি দ্বীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান 

গ্রাম/রাস্তাঃ বালিয়াদি, পোস্ট অফিসঃ বালিয়াদি-৪৩১১, ৯ নং ওয়ার্ড, ১৪ নং হাইতকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ, থানাঃ মিরসিরাই, জেলাঃ চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ। 


Baliadi khademul ulum madrasha hefzkhana & atimkhana 

Village- Baliadi, Post office: Baliadi-4311, Woard-9 nong , Union- 14 nong haitkandi, P.S- Mirsorai, Deistic- Chattagram. Bangladesh. 


বালিয়াদি খাদেমুল উলুম মাদরাসা হেফজখানা ও এতিমখানার শিক্ষকমন্ডলীর ছবি- ২০২২ ইংরেজি 

তালবিয়া কি

talbiyah ki.  

তালবিয়া আরবি শব্দ। তালবিয়া নামের অর্থ কি? তালবিয়া একটি ইসলামী প্রার্থনা। আল্লাহ্‌র কাছে চাওয়া বা আবেদন করা। আরাফাতের ময়দানে হাজীরা হজ্জের সময় মহান আল্লাহ্‌ কে খুশী করে কাছে পাওয়ার আশা-আকাংখা নিয়ে তালবিয়া পড়েন। 

talbiyah / তালবিয়া বাংলা উচ্চারণঃ

লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান্‌নিমাতা লাকা ওয়ালমুল্‌ক লা শারি-কা লাক

বাংলা অর্থঃ আমি হাজির হে আল্লাহ! আমি উপস্থিত, আপনার ডাকে সাড়া দিতে আমি হাজির। আপনার কোন অংশীদার নেই। নিঃসন্দেহে সমস্ত প্রশংসা ও সম্পদরাজি আপনার এবং একচ্ছত্র আধিপত্য আপনার। আপনার কোন অংশীদার নেই।” (বুখারি, হাদিস : ১৫৪৯; মুসলিম, হাদিস : ২৮১১)

জায়গা জমির খতিয়ান হিস্যা কি

আপনার আমার সমপত্তি বা জমি জমার হিসাব নিকাশ করার সময় ভুমি জরিপকারী বা আমিন'গন  হিস্যা অনুযায় মালিকানা বুঝায় দিয়ে থাকেন।

khotian hissa ki

হিস্যা অর্থ অংশ, ভাগ, প্রাপ্য ভাগ।  

মনে করেন, জায়গা জমির একটি খতিয়ান আছে। ঐ খতিয়ানে ১৯ শতক সম্পতি আছে। এই সম্পতির মালিক আপনি সহ আরও ৫ জন ব্যক্তির নাম আছে। প্রতেক ব্যক্তির নামের পাশে কে কত অংশ সম্পতির মালিক তা ভাগ করে দেওয়া আছে। ভাগ করে দেওয়া সম্পতির অংশকে খতিয়ানের হিস্যা বলে। এক কথায়, খতিয়ানের প্রাপ্য অংশকে হিস্যা বলে। 

আরও পড়ুন খতিয়ানে /১।৴১ আনা গন্ডা কড়া ক্রান্তি তিল থেকে শতাংশে হিসাব করার নিয়ম

খতিয়ানে /১।৴১ আনা গন্ডা কড়া ক্রান্তি তিল থেকে শতাংশে হিসাব করার নিয়ম জেনে নিন

খতিয়ান কি?  মৌজা ভিত্তিক এক বা একাদিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। বিভিন্ন খতিয়ান সম্পর্কে আরও পড়ুন CS(সি এস)/ RS(আর এস)/ SA(এস এ)/ PS(পি এস)/ BS(বি এস/ সিটি জরিপ/ দিয়ারা জরিপ- সি.এস. জরিপ/ পেটি/ পর্চা/ চিটা/ দখলনামা/ বয়নামা/ জমাবন্দি/ দাখিলা/ হুকুমনামা / জমা খারিজ/ মৌজা 


আনা গন্ডা কড়া ক্রান্তি তিল কে শতকে রূপান্তর

মনে রাখবেনঃ
১টি খতিয়ানের মোট জমিকে ১৬ আনা ধরা হয়। তাই, আনা সংক্রান্ত সম্পর্ক যাবতীয় হিসাব জানা জরুরি। 

আমরা জানি, স্বর্ণ-রূপা আনাতে হিসাব করা হয়। ১৬ আনা সমান ১ ভরি।আরও পড়ুন সোনা বা স্বর্ণের ওজন পরিমাপ ও স্বর্ণের হিসাব নিকাশ সম্পর্কে জেনে নিন ।

আমরা জানি, ১৬ আনা = ১ টাকা।


১ টাকার হিসাব নিন্মে দেওয়া হলঃ
২৫ পয়সা = ৪ আনা
৫০ পয়সা = ৮ আনা
১০০ পয়সা = ১ টাকা পূর্ণ 
১ টাকা = ১০০ পয়সা= ১৬ আনা
সুতারাং ১ টাকা = ১৬ আনা।


বিস্তারি জেনে রাখা ভালঃ
(২৫ পয়সা সমান ৪ আনা + ২৫ পয়সা সমান ৪ আনা + ২৫ পয়সা সমান ৪ আনা + ২৫ পয়সা সমান ৪ আনা ) = ১০০ পয়সা = ১৬ আনা= ১ টাকা

(৫০ পয়সা সমান ৮ আনা + ৫০ পয়সা সমান ৮ আনা) = ১০০ পয়সা = ১৬ আনা= ১ টাকা)

সুতারাং ১৬ আনা = ১ টাকা = ১০০ আনা = ১ টাকা পূর্ণ । যখন বাংলাদেশে ৫ পয়সা, ১০ পয়সা, ২৫ পয়সা, ৫০ পয়সা চল ছিল। এখন এই সব পয়সা অচল। আরও পড়ুন  বাংলাদেশি মুদ্রা ও কাগজের নোট কয়টি ও কি কি জেনে নিন। 

নিচে খতিয়ানে /১।৴১ আনা গন্ডা কড়া ক্রান্তি তিল রেনু ঘুন এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলঃ 

আমরা প্রায় দেখি পুরাতন খতিয়ানে মালিকের নামের পাশে  /১।৴১ সাংকেতিক চিহ্ন রূপে কে কত অংশ জমি পাবে উল্লেখ করা থাকে। এই সাংকেতিক চিহ্নকে আনা গন্ডা-কড়া-ক্রান্তি-তিল-রেনু-ঘুন-বলা হয়।

 সাংকেতিক চিহ্ন  /১।৴১  এর অর্থ আনা গন্ডা কড়া ক্রান্তি তিল। এই সব সাংকেতিক চিহ্ন সহজ ভাবে বুঝার জন্য নিচের ধাপ অনুসরণ করুন।   

আনা-গন্ডা-কড়া-ক্রান্তি-তিল-রেনু-ঘুন এর মাধ্যমে জমিজমার হিসাব নিকাশ করার নিয়মঃ-  

ধরেন, আপনার একটি খতিয়ান আছে। এই খতিয়ানে ১০১,১০৩,১০৬ দাগ বা আর বেশী দাগ আছে। সব দাগ মিলে যেমনঃ ৮+৬+৫= ১৯ শতক জমি আছে। এখানে ভাই, বোন, চাচা, ফুফু সহ ৭ জন ১৯ জমির মালিক। কিন্তু  খতিয়ানে সাংকেতিক চিহ্ন /১।৴১ রূপে পরিষ্কার উল্লেখ করা আছে যে, কে কত অংশের মালিক। 

মনে রাখবেন,

১ টি খতিয়ানের মোট জমিকে ১৬ আনা ধরা হয়। 

১৬ আনার চিহ্ন বা সংখ্যা নিন্ম রুপঃ  


চিহ্ন = সাংকেতিক নাম
⁄ = ১ আনা
৵ = ২ আনা
৶ = ৩ আনা
৷ = ৪ আনা
৷⁄ = ৫ আনা
৷৵ = ৬ আনা
৷৶ = ৭ আনা
৷৷ = ৮ আনা
৷৷⁄ = ৯ আনা
৷৷৵ = ১০ আনা
৷৷৶ = ১১ আনা
৸ = ১২ আনা
৸ ⁄ = ১৩ আনা
৸৵ = ১৪ আনা
৸৶ = ১৫ আনা
১ পূর্ণ = ১৬ আনা= পূর্ণ সম্পত্তি
অর্থাৎ ১ টাকা সমান ১৬ আনা= পূর্ণ সম্পত্তি

১ থেকে ১ ট্রিলিয়ন পর্যন্ত গণনা শিখি

আমরা ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত নিমিষেই গণনা করতে পারি। এভাবে আর জানি, এক হাজার (১,০০০), এক লাখ বা লক্ষ (১০০,০০০), এক কোটি (১০,০০০,০০০), এর পরে আর জানি না। না জানার কারণ একটাই, এই পরিমাণের হিসাব অফিস আদালতে হয়। ব্যক্তি জীবনে একেবারে সামান্য। এই কারণে মিলিয়ন, বিলিয়ন, ট্রিলিয়ন সমান কত টাকা হয় সহজে বলতে পারি না।

যেমন ধরেনঃ
আপনাকে বলা হল যে, আপনার এলাকায় ১ জন কোটিপ্রতি আছে। সাথে সাথে সহজে বলবেন হ্যাঁ আছে। কোটিপতি মানে ১০০ লাখে ১ কোটি টাকার মালিক। কিন্তু যদি বলা হয় আপনার এলাকায় এক জন ট্রিলিয়নার আছে। এই কথা শুনে বোকার মত চুপ করে থাকা ছাড়া আর কিছু বলার নাই। কারণ ট্রিলিয়ন সমান কত টাকা? আপনার সঠিক জানা নেই। এই জন্য মিলিয়ন, বিলিয়ন, ট্রিলিয়ন সমান কত টাকা সাধারণ ভাবে জানার ধরকার আছে।

আসুন আমরা জানার চেষ্টা করি, মিলিয়ন, বিলিয়ন, ট্রিলিয়ন সমান কত টাকা?
১ থেকে ১ ট্রিলিয়ন পর্যন্ত সাধারণ ভাবে জানার চেষ্টা করিঃ

এক টাকা
১

দশ টাকা
১০

একশ টাকা
১০০

একহাজার টাকা
১,০০০

একলক্ষ টাকা (লাখ বা লক্ষ একই কথা)
১০০,০০০
১০০ হাজারে ১ লক্ষ টাকা

এক কোটি টাকা
১০,০০০,০০০
১০০ লাখে ১ কোটি টাকা

১ এক মিলিয়ন টাকা, ১ মিলিয়ন সমান কত টাকা?
১ মিলিয়ন সমান ১০ লক্ষ টাকা
১,০০০,০০০

 ১ বিলিয়ন টাকা, ১ বিলিয়ন সমান কত টাকা? 
১ বিলিয়ন সমান ১০০ কোটি টাকা 
১,০০০,০০০,০০০

১ ট্রিলিয়ন টাকা
১ ট্রিলিয়ন সমান কত টাকা? 
১ ট্রিলিয়ন সমান ১ লক্ষ কোটি টাকা 
১০০০,০০০,০০০,০০০

মিলিয়ন, বিলিয়ন এবং ট্রিলিয়ন টাকার সাথে তুলনা করে নিচে কিছু হিসাব দেওয়া হয়েছেঃ
মিলিয়ন সমান কত টাকা:
১ মিলিয়ন সমান ১০ লক্ষ টাকা
১০ মিলিয়ন সমান ১ কোটি টাকা
১০০ মিলিয়ন সমান ১০ কোটি টাকা
১০০০ মিলিয়ন সমান ১০০ কোটি টাকা

বিলিয়ন সমান কত টাকা:
১ বিলিয়ন সমান ১০০ কোটি টাকা
১০ বিলিয়ন সমান ১০০০ কোটি টাকা
১০০ বিলিয়ন সমান ১০০০০ কোটি টাকা

ট্রিলিয়ন সমান কত টাকা:
১ ট্রিলিয়ন সমান ১ লক্ষ কোটি টাকা
১ ট্রিলিয়ন সমান ১০ লক্ষ কোটি টাকা
১০০ ট্রিলিয়ন সমান ১০০ লক্ষ কোটি টাকা

বাংলাদেশি মুদ্রা ও কাগজের নোট কয়টি ও কি কি জেনে নিন।

বাংলাদেশে কাগজের নোট কয়টি ও কি কি? 
২০২৩ সাল অনুযায় বাংলাদেশে কাগজের নোট ১০টি। যেমন- ১ টাকা , ২ টাকা , ৫ টাকা , ১০ টাকা , ২০ টাকা , ৫০ টাকা , ১০০ টাকা , ২০০ টাকা , ৫০০টাকা এবং ১০০০ টাকা মূল্যমানের কাগজের নোট প্রচলিত রয়েছে।

বাংলাদেশি মুদ্রা কয়টি ও কি কি? 
২০২৩ সাল অনুযায় বাংলাদেশি মুদ্রা ০৮টি। যেমন- ১ পয়সা, ৫ পয়সা, ১০ পয়সা, ২৫ পয়সা, ৫০ পয়সা, ১ টাকা , ২ টাকা এবং ৫ টাকা মূল্যমানের ধাতব মুদ্রা প্রচলিত রয়েছে। ১ পয়সা, ৫ পয়সা, ১০ পয়সা, ২৫ পয়সা ও ৫০ পয়সা বর্তমানে অচল।

এছাড়াও, বাংলাদেশে কিছু স্মারক নোট ও স্মারক মুদ্রা আছে। যেমন- ২৫, ৪০, ৬০, ৭০ ইত্যাদি। তবে কখনো কখনো প্রচলিত মানের নোটও ছাপা হয়ে থাকে। যেমন- ১০, ২০, ৫০, ১০০ টাকার নোট ইত্যাদি। স্মারক নােট বিনিময়যোগ্য নয়। এ নোট দিয়ে কোনো প্রকার কেনাকাটা করা যায় না। এ ধরনের নােট কেবল সংগ্রহ করে রাখা যায়।

স্মারক নোট বা স্মারক মুদ্রা কী? 
কোনো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক যখন জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, স্থান ও ঘটনাসমূহকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যে প্রতীকী মুদ্রা বা নোট ছাপে, তা-ই হচ্ছে স্মারক নোট বা মুদ্রা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ১৯৯১ সাল থেকে এ পর্যন্ত বিভিন্ন উপলক্ষে স্মারক মুদ্রা বা নোট প্রকাশ করা হয়েছে—
১. বাংলাদেশের ২০তম বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৯৯১ সালে (ফাইন সিলভার) ১ টাকার মুদ্রা
২. বিশ্ব অলিম্পিক গেমসের ২৫তম আসর উপলক্ষে ১৯৯২ সালে (ফাইন সিলভার) ১ টাকার মুদ্রা
৩. বাংলাদেশ ব্যাংকের রজত জয়ন্তী উপলক্ষে ১৯৯৬ সালে (ফাইন সিলভার) ১০ টাকার মুদ্রা
৪. বাংলাদেশের স্বাধীনতার রজত জয়ন্তী উপলক্ষে ১৯৯৬ সালে (ফাইন সিলভার) ১০ টাকার মুদ্রা
৫. বঙ্গবন্ধু যমুনা বহুমুখী সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে ১৯৯৮ সালে (১০০% নিকেল) ১০ টাকার মুদ্রা
৬. বঙ্গবন্ধু যমুনা বহুমুখী সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে ১৯৯৮ সালে (৯০% ফাইন সিলভার ও ১০% নিকেল) ২০ টাকার মুদ্রা
৭. আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২০০০ সালে (২২ ক্যারেট স্বর্ণ) ২০ টাকার মুদ্রা
৮. আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ উপলক্ষে ২০১১ সালে (ফাইন সিলভার) ১০ টাকার মুদ্রা
৯. বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫০তম জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে ২০১১ সালে (ফাইন সিলভার) ১০ টাকার মুদ্রা
১০. বাংলাদেশের বিজয়ের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০১১ সালে (ফাইন সিলভার) ৪০ টাকার মুদ্রা
১১. বাংলাদেশের বিজয়ের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০১১ সালে ৪০ টাকার নোট
১২. জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতার ৯০ বছর উপলক্ষে ২০১১ সালে (ফাইন সিলভার) ১০ টাকার মুদ্রা
১৩. ভাষা আন্দোলনের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০১২ সালের ৬০ টাকার নোট
১৪. দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেডের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০১৩ সালে ২৫ টাকার নোট
১৫. বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের শত বছরপূর্তি উপলক্ষে ২০১৩ সালে ১০০ টাকার নোট
১৬. বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়া উপলক্ষে ২০১৮ সালে ৭০ টাকার নোট
১৭. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে ২০২০ সালে ১০০ টাকার নোট
১৮. বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ২০২১ সালে ৫০ টাকার নোট
১৯. পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে ২০২২ সালে ১০০ টাকার নোট।

তথ্য সুত্রঃ jagonews24.com/স্মারক নোট বা মুদ্রা দিয়ে কি কেনাকাটা করা যায়?

blogger ব্লগস্পট সাইটে আজকের দিন তারিখ ও সময় এর একটি Widget এইচটিএমএল জাভা কোড যুক্ত করুন

খুব সহজে আপনার blogger ব্লগস্পট সাইটে আজকের দিন তারিখ ও সময়ের এইচটিএমএল জাভা কোড যুক্ত করুন। আজকের দিন তারিখ ও সময়ের কোডটি ব্লগস্পট সাইটে ব্যাবহার করলে ঠিক নিচের মত দেখতে পাবেন।

|

কীভাবে আপনার blogger ব্লগস্পট সাইটে আজকের দিন তারিখ ও সময়ের এইচটিএমএল জাভা কোড যুক্ত করবেন? আজকের দিন তারিখ ও সময়ের এইচটিএমএল জাভা কোড নিন্মে দেওয়া হল। আপনি কপি করে  আপনার blogger ব্লগস্পট সাইটে ব্যাবহার করুন। 

নিন্মের কোডটি কপি করে আপনার সাইটে পেস্ট করুন।


<center><script language = "JavaScript"> var now = new Date(); 
var dayNames = 
new Array("রবিবার","সোমবার","মঙ্গলবার","বুধবার","বৃহস্পতিবার","শুক্রবার","শনিবার"); 
var monNames = new Array("জানুয়ারি","ফেব্রুয়ারী","মার্চ","এপ্রিল","মে","জুন","জুলাই","আগস্ট","সেপ্টেম্বর","অক্টোবর","নভেম্বর","ডিসেম্বর"); 

document.write("আজ " + dayNames[now.getDay()] + " " + monNames[now.getMonth()] + " " + now.getDate() + ", " + now.getFullYear()); </script> | <script>
atoj = new Date();
atoj1= atoj.getHours();
atoj2 = atoj.getMinutes();
atoj3= atoj.getSeconds();

if(atoj1==0){atoj4=" AM";atoj1=12}
else if(atoj1 <= 11){atoj4=" AM"} else if(atoj1 == 12){atoj4=" PM";atoj1=12} else if(atoj1 >= 13){atoj4=" PM";atoj1-=12}

if(atoj2 <= 9){atoj2="0"+atoj2} document.write(""+atoj1+":"+atoj2+":"+atoj3+""+atoj4+""+"");
</script></center>


আজকের দিন তারিখ ও সময় এর এইচটিএমএল জাভা কোড কপি করতে সমস্যা হলে এখানে থেকে সংগ্রহ করুন। 


আপনার blogger ব্লগস্পট সাইটে আজকের দিন তারিখ ও সময় এর এইচটিএমএল জাভা কোড যুক্ত করবেন কীভাবে? 

blogger ব্লগস্পট সাইটে QR Code Generator এর একটি Widget এইচটিএমএল জাভা কোড যুক্ত করুন


উপরের QR Code টি আমার ওয়েবসাইটের QR Code টি স্ক্যান করে দেখুন। ঠিক আপনার পছন্দ মতে QR Code তৈয়ার করার জন্য নিচের QR Code Generator ব্যাবহার করুন।    


QR Code Generator মাধ্যমে আপনার পছন্দের অ্যাড্রেস বা যে কোন কিছু লেখে Generator QR Code লোগো করে QR Code Download করে নিন।       

QR Code Generator

QR Code Generator

Download QR Code

এ ছাড়াও আপনি চাইলে, আপনার  blogger ব্লগস্পট সাইটে QR Code Generator যুক্ত করে রাখতে পারেন। যে কেউ আপনার সাইটে ভিজিট করতে আসেলে এই QR Code Generator এর মাধ্যমে নিজের মত করে QR Code তৈয়ার করে QR Code Download করে নিতে পারবে। 

     
HTML/JavaScript এর মাধ্যমের নিছের দেওয়া QR Code Generator কোড কপি করে আপনার  blogger ব্লগস্পট সাইটে উইজেট যুক্ত করতে পারবেন। তাহলে আর দেরি কেন।

এই কোডটি কপি করে আপনার সাইটে পেস্ট করুন।

   
 
<!DOCTYPE html>
<html lang="en">
<head>
<meta charset="UTF-8">
<meta name="viewport" content="width=device-width, initial-scale=1.0">
<title>QR Code Generator</title>
<style>
body {
font-family: Arial, sans-serif;
text-align: center;
}

.container {
margin: 20px auto;
max-width: 600px;
padding: 20px;
border: 1px solid #ccc;
border-radius: 5px;
}

#qrcode {
margin-top: 20px;
}

#download-link {
display: none;
margin-top: 10px;
}
</style>
</head>
<body>
<div class="container">
<h1>QR Code Generator</h1>
<label for="text-input">Enter Text:</label>
<input type="text" id="text-input" placeholder="Enter text...">
<button id="generate-button">Generate QR Code</button>
<div id="qrcode"></div>
<a id="download-link" download="qrcode.png">Download QR Code</a>
</div>
<script src="https://cdn.rawgit.com/davidshimjs/qrcodejs/gh-pages/qrcode.min.js"></script>
<script>
const generateButton = document.getElementById('generate-button');
const textInput = document.getElementById('text-input');
const qrCodeContainer = document.getElementById('qrcode');
const downloadLink = document.getElementById('download-link');

generateButton.addEventListener('click', () => {
const text = textInput.value;
if (text) {
qrCodeContainer.innerHTML = '';
downloadLink.style.display = 'none';

const qrCode = new QRCode(qrCodeContainer, {
text: text,
width: 200,
height: 200,
});

const canvas = qrCodeContainer.querySelector('canvas');
if (canvas) {
const dataURL = canvas.toDataURL('image/png');
downloadLink.href = dataURL;
downloadLink.style.display = 'block';
}
}
});
</script>
</body>
</html>


উপরে দেওয়া কোড কপি করতে সমস্যা হলে সরাসরি এখান থেকে QR Code Generato সংগ্রহ করুন।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে একটিভ থাকুন

১লা মে দিবস / শ্রমিকের অধিকার আদায়ের দিন

১লা মে দিবসের ছবি ১লা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস পালন করা হয়। ১লা মে মহান মে দিবস। ১লা মে বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন। ১৮৮৬ স...