স্বাগতম

সবার জন্য উন্মুক্ত পেইজ ভিজিট করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। *** শিক্ষার কোন বয়স নাই, জানার কোন শেষ নাই। *** বিঃদ্র ( যে সকল ব্লগ বা ওয়েবসাইট এর লেখা কোন অনুমতি ছাড়া কপি করে এখানে পোষ্ট করেছি, যদি কারো কোনো অভিযোগ থাকে দয়া করে জানাবেন। E-mail: nchafa10@gmail.com, ভালো লাগলে আবার আসবেন।***ধন্যবাদ***

তারাবির নামাজ চার রাকাত পড়ে যে দোয়া পড়া হয় তার বিধান কী?

তারাবির নামাজের দোয়া অনেকে জানেন না। আবার অনেকেই তারাবির নামাজের দোয়া পড়া নিয়ে তর্ক-বিতর্ক করে থাকে। কিন্তু তারাবির নামাজ ৪ রাকাত পরপর দোয়া পড়ার বিধান কী?

সম্মানিত ইসলামি শাস্ত্রবিদগণ এর মাধ্যমে জানা যায় যে, প্রতি ৪ রাকাত পর পর নির্দিষ্ট করে দোয়া পড়ার কথা কোন বিশুদ্ধ সূত্রে বা হাদীসে বর্ণিত নেই। কিন্তু চার রাকাত পর কিছু সময় বসা মুস্তাহাব, যতক্ষণ সময় চার রাকাত নামায পড়তে সময় লেগেছে। এবং সেই সময় নফল নামায পড়া, তাসবীহ পড়া, দরূদ পড়া, জিকির করা, কুরআন তিলাওয়ত করা, কিংবা চুপ করে বসে থাকা, মক্কা হলে তওয়াফ করা সবই জায়েজ।

তাই তারাবির ৪ রাকাতের মাঝের দোয়া হিসাবে যেকোন দুআ ও দরূদ পড়া যায়। কিছু কিছু ওলামায়ে কেরামগন তারাবির নামাজ চার রাকাত পড়ে কিছু সময় দোয়া ও দরূদ পড়তে বলেছেন। এর অনুসরণ করে আমাদের দেশে প্রচলিত তারাবির নামাজে ও কোন একজন ইসলামিক বুজুর্গ রচিত আরবি দোয়া হিসাবে জনপ্রিয় এই দোয়া পড়া হয়-

سُبْحَانَ ذِي الْمُلْكِ وَالْمَلَكُوتِ، سُبْحَانَ ذِي الْعِزَّةِ وَالْعَظَمَةِ وَالْقُدْرَةِ وَالْكِبْرِيَاءِ وَالْجَبَرُوتِ، سُبْحَانَ الْمَلِكِ الْحَيِّ الَّذِي لَا يَمُوتُ، سُبُّوحٌ قُدُّوسٌ رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوحِ، لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ نَسْتَغْفِرُ اللَّهَ، نَسْأَلُك الْجَنَّةَ وَنَعُوذُ بِك مِنْ النَّارِ

উচ্চারণ : ‘সুবহানা জিল মুলকি ওয়াল মালাকুতি, সুবহানা জিল ইয্যাতি ওয়াল আঝমাতি ওয়াল হায়বাতি ওয়াল কুদরাতি ওয়াল কিব্রিয়ায়ি ওয়াল ঝাবারুতি। সুবহানাল মালিকিল হাইয়্যিল্লাজি লা ইয়ানামু ওয়া লা ইয়ামুত আবাদান আবাদ; সুব্বুহুন কুদ্দুসুন রাব্বুনা ওয়া রাব্বুল মালায়িকাতি ওয়ার রূহ।’

কিন্তু উক্ত দোয়া সুন্নত-মুস্তাহাব বা জরুরী মনে করা যাবে না। পড়লেও অসুবিধা নেই, না পড়লেও কোনো সমস্যা নেই।

তারাবির নামাজ কি? সুন্নতে মুয়াক্কাদা।

তারাবির নামাজ ৪ রাকাত করে পড়া যাবে? তারাবিহ নামাজ দুই বৈঠকের সহিত একসাথে চার রাকাত পড়া জায়েজ আছে,তবে দুই রাকাত করে তারাবিহ নামাজ পড়াই উত্তম। যদি চার রাকাত করে তারাবিহ পড়া হয়,তাহলেও তারাবিহ হয়ে যাবে,তবে দীর্ঘদিন থেকে চলে আসা নিয়মের খেলাফ হবে। তাই এ থেকে বিরত থাকা উচিত। (কিতাবুন নাওয়াজেল ৫/৪০)

একা একা তারাবির নামাজের সময় ভুলে কেউ যদি একসঙ্গে চার রাকাত আদায় করে, অর্থাৎ দুই রাকাতের পর তাশাহহুদ পড়ে দাঁড়িয়ে আরও দুই রাকাত পড়ে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করে; তাহলে তার নামাজ হয়ে যাবে। এখানে চার রাকাত নামাজ পড়া হয়েছে বলে ধরা হবে। তবে তারাবির নামাজ ইচ্ছাকৃতভাবে একসঙ্গে চার রাকাত পড়া ঠিক না। -আল বাহরুর রায়েক: ২/৬৭

তারাবির নামাজ ৪ রাকাত নিয়ত করে পড়া যাবে?
ومنہا أن یصلي کل رکعتین بتسلیمۃ علی حدۃ۔ (بدائع الصنائع ۱؍۶۴۶ کراچی، المختصر القدوري مع الشرح الثمیري ۱؍۲۶۱)
সারমর্মঃ প্রত্যেক দুই রাকাত পৃথক সালাম দ্বারা আদায় করা সুন্নাত।

قال فی الدر ( مع الرد (کتاب الصلاة، باب الوتر والنوافل ۲: ۴۹۵، ۴۹۶ط مکتبة زکریا دیوبند): (بعشر تسلیمات)فلو فعلھا بتسلیمة؛ فإن قعد لکل شفع صحت بکراھة وإلا نابت عن شفع واحد، بہ یفتی اھ، وفی الرد: قولہ: (وصحت بکراھة)أي: صحت عن الکل وتکرہ إن تعمد
সারমর্মঃ দশ সালাম দিয়ে তারাবিহ নামাজ পড়া সুন্নাত। যদি কেহ এক সালাম দ্বারাই পুরো নামাজ আদায় করে,প্রত্যেক দুই রাকাত পরপর বৈঠক করে,তাহলে নামাজ ছহীহ হবে,ঠিকই তবে মাকরুহ হবে।

বিদ্রঃ উপরের বর্ণিত লেখা যদি, সত্য নয় বা ভুল ব্যাখ্যা মনে হয়। দয়া করে কমেন্ট বা মেইল করে জানাবেন। এতে পাঠক এর জন্য উপকার হবে।

ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে একটিভ থাকুন

১লা মে দিবস / শ্রমিকের অধিকার আদায়ের দিন

১লা মে দিবসের ছবি ১লা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস পালন করা হয়। ১লা মে মহান মে দিবস। ১লা মে বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন। ১৮৮৬ স...